1. লাইফ স্টাইল

টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির উপায় কী?

যারা নিয়মিত জিমনেশিয়ামে বডিবিল্ডং এক্সারসাইজ করেন, তাদের টেস্টোস্টেরন হরমোনের বৃদ্ধি পায়৷ এক্ষত্রে সবচেয়ে কার্যকর এক্সারসাইজ হল ভার উত্তোলন (Weight Lifting), যেমন ডাম্বেলিং, পুশ আপ, রিচ আপ, চিন আপ, পুল আপ ইত্যাদি৷

উল্লেখ্য, টেস্টোস্টেরন মানুষের মাংসপেশি বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করার জন্য আবশ্যক৷ এক্সারসাইজ অবশ্যই সঠিক পদ্ধতিতে এবং পরিমিত পরিমাণে হতে হবে৷ অত্যাধিক মাত্রায় এক্সারসাইজ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে৷ কাজেই, যদি পারদর্শি না হন, তবে ফিজিক্যাল ট্রেইনার এর পরামর্শ নিন৷

খাবার (ডায়েট): টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধির জন্য খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ নিম্নলিখিত খাবারগুলো টেস্টোস্টেরন বৃৃৃৃদ্ধিতে সহায়ক৷

মধু

মধুতে আছে প্রাকৃতিক নিরাময়কারী উপাদান বোরোন। এই খনিজ উপাদান টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে এবং নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা ঠিক রাখে। যা ধমনী সম্প্রসারণ করে লিঙ্গোত্থানে শক্তি সঞ্চার করে।

বাঁধাকপি

এই সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আরও আছে ইনডোল থ্রি-কার্বিনল। এই উপাদান স্ত্রী হরমোন ওয়েস্ট্রজেনের পরিমাণ কমিয়ে টেস্টোস্টেরন বেশি কার্যকর করে তোলে।

রসুন

রসুনের আলিসিন যৌগ মানসিক চাপের হরমোন করটিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে টেস্টোস্টেরন ভালোমতো কাজ করে। ভালো ফল পেতে রসুন কাঁচা খাওয়ার অভ্যেস করুন।

ডিম

ডিমে আছে স্যাচারেইটেড ফ্যাট, ওমেগা থ্রিএস, ভিটামিন ডি, কলেস্টেরল এবং প্রোটিন। টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরির জন্য এই উপাদানগুলো জরুরি।

কলা

এই ফলের ব্রোমেলেইন এনজাইম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। আর দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহের উৎস হিসেবে কাজ করে।

কাঠবাদাম

নারী এবং পুরুষ উভয়ের ‘সেক্স ড্রাইভ’য়ের জন্য প্রতিদিন এক মুঠ কাঠবাদাম যথেষ্ট। এই বাদামে রয়েছে জিঙ্ক যা টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ায় আর কামবাসনা বৃদ্ধি করে।

কালিজিরা: এটি অত্যন্ত উপকারী এবং ওষুধী গুণসম্পন্ন একটি খাদ্য৷ শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার জন্য প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷

দিনে এক চা চামচ পরিমাণ কালিজিরা খালিপেটে দাঁত দিয়ে পিষ্ট করে নিয়মিত খেলে টেস্টোস্টেরন লেভেল বৃদ্ধি পায় এবং যৌনক্ষমতা উন্নত হয়৷

মাংস

বিশ্বাস করা হয় যারা একেবারেই মাংস খান না তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কম থাকে। রেড মিট (Red meat) যেমন, গরুর মাংস, খাসির মাংস, মাছ এগুলো টেস্টোস্টেরন তৈরীতে সহায়তা করে৷ তবে অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার আগে সাবধান।

পালংশাক

এটা প্রমাণিত যে, ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমাতে পারে এই শাক। তাছাড়া আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি এবং ই। আর এসবই টেস্টোস্টেরন তৈরির উপাদান।

আঙুর

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একথোক লাল আঙুর খাওয়া গেলে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, শুক্রাণুর তৎপতরতা উন্নত করে আর শক্তিশালী করে।

ডালিম

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ইম্পোটেন্স রিসার্চ থেকে জানা যায় যৌন কর্মে অক্ষম পুরুষদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ যারা প্রতিদিন ডালিমের রস খেয়ে থাকেন তাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

Comments to: টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির উপায় কী?

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন

বিভাগসমূহ

সর্বশেষ কমেন্ট

Login

হেল্পার বাড়িতে আপনাকে স্বাগতম

আপনি কি আমাদের এই বাংলা কমিউনিটিতে যুক্ত হতে প্রস্তুত রয়েছেন
আমাদের সাথে যুক্ত হন