ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেট ব্যাটারি চালিত এক ধরনের যন্ত্র। যারা ধূমপান ছেড়ে দিতে চান, তারা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতেই এই ই-সিগারেট পান করেন। ইলেকট্রনিক সিগারেটের ভেতরে থাকে নিকোটিনের দ্রবণ যা ব্যাটারির মাধ্যমে গরম হয়। এর ফলে ধোঁয়া তৈরি হয়। এটি মস্তিষ্কে ধূমপানের মতো অনুভূতির সৃষ্টি করে। গত কয়েক বছর ধরে সারা বিশ্বে ইলেকট্রনিক সিগারেটের প্রচলন বেড়েছে। তবে ইউরোপসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে এই সিগারেট নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার উন্নতির জন্য অনেক সময়ই প্রচারণা চালান যে, ই-সিগারেট কম ক্ষতিকর কিংবা এটি নেশায় অাসক্তি কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু গবেষণা বলছে, এই ইলেকট্রিক সিগারেট স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়। মাদক এবং সিগারেটের মতোই আসক্তি হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ট্র্যাডিশনাল সিগারেটের মতো ইলেকট্রিক সিগারেট থেকে হতে পারে ক্যান্সার। তার কারণ, এই ইলেকট্রিক সিগারেটের তরলেও রয়েছে নিকোটিন। ক্রমাগত শরীরে ঢুকতে থাকা এই তরল নিকোটিন কিন্তু সিগারেটের মতোই আপনাকে নেশাগ্রস্ত করে ফেলতে পারে। 

যদিও, সিগারেটের মতো তামাক থাকে না এই সিগারেটে। নিকোটিন মিশ্রিত তরলই বাষ্পাকারে বেরিয়ে আসে। ধূমপায়ীরা ও নেশাসক্তরা সিগারেটেরই স্বাদ পান এই ইলেকট্রিক স্মোকিংয়ে। গবেষকরা মনে করছেন, এই তরলে আসক্তি আরও বেশি। যা ভবিষ্যতে ফের ধূমপান বা অন্য কোনো নেশার দিকে আপনাকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। মূলত তিন ধরনের ফর্মে নিকোটিন থাকে। তার মধ্যে ফ্রি-বেস নিকোটিনই শরীর শোষণ করে। আর এই ফ্রি-বেস নিকোটিনই নেশায় পুনরায় আসক্তি আনতে পারে।

তাই এই ইলেকট্রিক সিগারেট কে কোনোভাবেই কম ক্ষতিকর বলা যাচ্ছে না।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here