Categories
লাইফ স্টাইল

টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির উপায় কী?

যারা নিয়মিত জিমনেশিয়ামে বডিবিল্ডং এক্সারসাইজ করেন, তাদের টেস্টোস্টেরন হরমোনের বৃদ্ধি পায়৷ এক্ষত্রে সবচেয়ে কার্যকর এক্সারসাইজ হল ভার উত্তোলন (Weight Lifting), যেমন ডাম্বেলিং, পুশ আপ, রিচ আপ, চিন আপ, পুল আপ ইত্যাদি৷

উল্লেখ্য, টেস্টোস্টেরন মানুষের মাংসপেশি বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করার জন্য আবশ্যক৷ এক্সারসাইজ অবশ্যই সঠিক পদ্ধতিতে এবং পরিমিত পরিমাণে হতে হবে৷ অত্যাধিক মাত্রায় এক্সারসাইজ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে৷ কাজেই, যদি পারদর্শি না হন, তবে ফিজিক্যাল ট্রেইনার এর পরামর্শ নিন৷

খাবার (ডায়েট): টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধির জন্য খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ নিম্নলিখিত খাবারগুলো টেস্টোস্টেরন বৃৃৃৃদ্ধিতে সহায়ক৷

মধু

মধুতে আছে প্রাকৃতিক নিরাময়কারী উপাদান বোরোন। এই খনিজ উপাদান টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে এবং নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা ঠিক রাখে। যা ধমনী সম্প্রসারণ করে লিঙ্গোত্থানে শক্তি সঞ্চার করে।

বাঁধাকপি

এই সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আরও আছে ইনডোল থ্রি-কার্বিনল। এই উপাদান স্ত্রী হরমোন ওয়েস্ট্রজেনের পরিমাণ কমিয়ে টেস্টোস্টেরন বেশি কার্যকর করে তোলে।

রসুন

রসুনের আলিসিন যৌগ মানসিক চাপের হরমোন করটিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে টেস্টোস্টেরন ভালোমতো কাজ করে। ভালো ফল পেতে রসুন কাঁচা খাওয়ার অভ্যেস করুন।

ডিম

ডিমে আছে স্যাচারেইটেড ফ্যাট, ওমেগা থ্রিএস, ভিটামিন ডি, কলেস্টেরল এবং প্রোটিন। টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরির জন্য এই উপাদানগুলো জরুরি।

কলা

এই ফলের ব্রোমেলেইন এনজাইম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। আর দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহের উৎস হিসেবে কাজ করে।

কাঠবাদাম

নারী এবং পুরুষ উভয়ের ‘সেক্স ড্রাইভ’য়ের জন্য প্রতিদিন এক মুঠ কাঠবাদাম যথেষ্ট। এই বাদামে রয়েছে জিঙ্ক যা টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ায় আর কামবাসনা বৃদ্ধি করে।

কালিজিরা: এটি অত্যন্ত উপকারী এবং ওষুধী গুণসম্পন্ন একটি খাদ্য৷ শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার জন্য প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷

দিনে এক চা চামচ পরিমাণ কালিজিরা খালিপেটে দাঁত দিয়ে পিষ্ট করে নিয়মিত খেলে টেস্টোস্টেরন লেভেল বৃদ্ধি পায় এবং যৌনক্ষমতা উন্নত হয়৷

মাংস

বিশ্বাস করা হয় যারা একেবারেই মাংস খান না তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কম থাকে। রেড মিট (Red meat) যেমন, গরুর মাংস, খাসির মাংস, মাছ এগুলো টেস্টোস্টেরন তৈরীতে সহায়তা করে৷ তবে অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার আগে সাবধান।

পালংশাক

এটা প্রমাণিত যে, ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমাতে পারে এই শাক। তাছাড়া আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি এবং ই। আর এসবই টেস্টোস্টেরন তৈরির উপাদান।

আঙুর

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একথোক লাল আঙুর খাওয়া গেলে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, শুক্রাণুর তৎপতরতা উন্নত করে আর শক্তিশালী করে।

ডালিম

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ইম্পোটেন্স রিসার্চ থেকে জানা যায় যৌন কর্মে অক্ষম পুরুষদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ যারা প্রতিদিন ডালিমের রস খেয়ে থাকেন তাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

Categories
লাইফ স্টাইল

স্বপ্নদোষ বন্ধ করার উপায় কী?

স্বপ্নদোষ বা রাত্রে ধাতুনির্গমন হ’ল একটি অবস্থা যেখানে কিছু পুরুষের ঘুমের মধ্যে, ভোরের দিকে বা গভির রাতে বীর্যপাত ঘটে। এই সমস্যাটা বেশি গুরুতর হয়ে যায় যদি সেই পুরুষের লিঙ্গের পেশির বা স্নায়ুর দুর্বলতা থাকে অতীতে ঘটে যাওয়া কোনও কারণের জন্য যেমন অত্যাধিক হস্তমৈথুন, বীর্যের ঘনত্ব কমে যাওয়া, হরমোনের সমস্যা বা ভর্তি হয়ে যাওয়া মুত্র থলি। সাধারণত, পুরুষরা বীর্য ধরে রাখতে সক্ষম হন, কিন্তু যখন বীর্যের মাত্রা বেশি হয়ে যায়, তখন তা ধরে রাখা যায় না এবং গভির রাতে ধাতুনির্গমন হয়। অত্যাধিক বীর্যপাত ও স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, একজন পুরুষের শরীরে অনেক কিছু হতে পারে যেমন রাতে ঘুম না আসা, ঝিমোনো, দুর্বলতা, স্মৃতিভ্রংশ, দেখতে না পাওয়া, হাঁটুর ব্যথা, দুর্বল যৌন ক্ষমতা, বন্ধাত্য, লিঙ্গ শিথিলতা এবং শারীরিক ধকল। কিছু বিরল ক্ষেত্রে, বীর্যের সাথে মূত্রত্যাগও হতে পারে।

এটা বিশ্বাস করা হয় যে স্বপ্নদোষের প্রতিকার করতে জীবনধারায় বদল আনা দরকার এবং ডাক্তারের সাহায্য নেওয়া উচিত। জীবনধারায় বদল আনার পাশাপাশি হস্তমইথুনের পৌনঃপুনিকতা কমানো এবং নিষিদ্ধ চলচ্চিত্র ও ছবি দেখা বন্ধ করতে হবে। যদিও, প্রাকৃতিক উপায়ে স্বপ্নদোষ বন্ধ করার কয়েকটি উপায় আছে; নিচে লেখা পরামর্শগুলো মেনে চলতে হবে।

১.ধ্যান করলে মনোযোগ বাড়ে আর অভ্যন্তরীণ অনুভূতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এর ফলে পুরুষরা অযাচিত কিছু কাজ করার থেকে নিজেদের আটকাতে পারবেন এবং এটি স্বপ্নদোষ বন্ধ করার জন্য ভীষণ উপকারি।

২.ব্যায়াম এবং যোগাসন একজন পুরুষকে তার শরীর, মন ও মস্তিষ্কের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত যোগাসন ও ব্যায়াম করলে সেসব যৌনকর্ম যা করলে স্বপ্নদোষ হতে পারে, আপনি তা নিজে আটকাতে পারবেন।

৩.রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে গন্ধসার তেল দিয়ে স্নান করলে আপনার শরীর অনেক আরাম পাবে এবং আপনি শান্তি মনে ঘুমোতে পারবেন।

৪.আপনার খাদ্যাভ্যাসে বদল আনলেও স্বপ্নদোষ রুখে দেওয়া যায়। যেসব পুরুষের স্বপ্নদোষ হয়, তারা আম্লিক খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিন।

৫.এর পরও যদি রাত্রে ধাতুনির্গমন বন্ধ না হয় তো আপনাকে সেক্সোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে এবং সঠিক চিকিৎসার দ্বারা স্বপ্নদোষের মূল কারণ যেটা সেটার নিরাময় করে আপনার হারানো শারীরিক শক্তি ও যৌনক্ষমতা ফেরত পাবেন।

স্বপ্নদোষের প্রতিকার করা সহজ এবং এটির চিহ্নিতকরণ করা অত্যন্ত জরুরি যাতে পুরুষের যৌন-জীবন ব্যাহত না হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিচে লেখা ঘরোয়া পদ্ধতিগুলোও ব্যবহার করা যেতে পারে :

১. লাউয়ের মধ্যে শরীর ঠাণ্ডা করার গুনাগুণ রয়েছে এবং তা শরীর গরম হতে দেয় না তাই স্বপ্নদোষ রুখতে পারে। এটা দু’ভাবে ব্যবহার করতে পারেন; রাত্রে শোয়ার আগে লাউয়ের জুস্‌ খেতে পারেন অথবা তিলের তেলের সাথে মিশিয়ে এটিকে মালিশ করে নিন।

২. বৈঁচি বা আমলার রস শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে এক গ্লাস বৈঁচি ফলের রস খেলে স্বপ্নদোষের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

৩. পেঁয়াজ এবং রসুনের শারীরিক নানারকম অসুস্থতা সারিয়ে তোলার ক্ষমতা রয়েছে বলে জানা যায়। ৩ থেকে ৪ কোয়া কাঁচা রসুন আর পেঁয়াজ যদি স্যালাড হিসেবে খাওয়া যায় তবে স্বপ্নদোষ কমে যেতে পারে।

৪. আগে থেকে ভিজিয়ে রাখা অ্যালমন্ড, কলা ও আদা যদি দুধে মিশিয়ে খাওয়া যায় তবে রাত্রে ধাতুনির্গমনের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কলার মধ্যে শরীর ঠাণ্ডা করার গুণ রয়েছে যা এই সমস্যাকে নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, দই খেলেও এই সমস্যার হাত থেকে উপসম পেতে পারেন কারণ দইও শরীর ঠাণ্ডা রাখে আর রোগপ্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

৫. সেলেরি বা মেথির রস অকাল বীর্যপাত ও স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে ভীষণ কার্যকরী। সেলেরি ও মেথির রস ২:১ অনুপাতে মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।

Categories
লাইফ স্টাইল

ভালো থাকার উপায় কী?

নিজেকে ভালোমত বুঝিয়ে দিতে হবে যে “আমি ভালো থাকব। বাজে কাজ করার চিন্তা করে লাভ নাই। 😜😜”

তারপর শুরু করতে হবে ভালো থাকার প্রক্রিয়া। এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে…

নেতিবাচক চিন্তাভাবনা কে দূরে সরিয়ে দিন। এটি আপনাকে খারাপ কাজ করার মনোভাব থেকেও দূরে রাখবে।

যারা সব সময় অভিযোগ আর প্রভাবিত করার একধরনের তাড়নায় থাকেন, তাঁদের এড়িয়ে চলুন।

দুঃসাধ্য প্রতিজ্ঞা করা থেকে বিরত থাকুন। কথা রাখতে না পারলে এটি অপরের কাছে যেমন আপনার ভাবমূর্তি নষ্ট করবে, তেমনি আপনার নিজের আত্মসম্মান ও নিজের প্রতি সম্মানবোধও কমিয়ে দেবে।

একটি বিখ্যাত কথা আছে, ‘যে দেনাহীন, সে চিন্তাহীন।’ তাই যেকোন বিল বা ধার করা টাকা সময়মত পরিশোধ করার চেষ্টা করুন।

বলা হয়, ‘রাগ পুষে রাখা আর গরম কয়লা মুঠোয় ভরে রাখা সমান।’ আমাদের জীবনে সবকিছু সঠিক হবে কখনো এমন ধারণা রাখা উচিত নয়। অনেক সময় আমাদের কাছে যা সঠিক, তা অপরের কাছে সঠিক না-ও হতে পারে। তাই যদি মনের মধ্যে ক্ষোভ থেকে থাকে, তা ঝেড়ে ফেলুন। কেননা, এতে আপনি নিজেও ভুক্তভোগী হচ্ছেন। ক্ষমা করতে শিখুন।

ক্ষমা করুন নিজেকেও। কারণ, আমরা নিজের সঙ্গেও অনেক সময় অন্যায় করি। ঠিক যেই সময়টায় আপনি নিজেকে ক্ষমা করে, নিজেকে ভালোবাসতে শুরু করবেন; তখন থেকে আপনার নিজের প্রতি আস্থা বাড়তে শুরু করবে।

কাজের খাতিরে আমরা প্রায়ই অনেক কিছু করি, যা আমাদের পছন্দ নয়। একাধারে অপছন্দের কাজ আমাদের মানসিক অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই সময় দিন আপনার ভালো লাগার কাজগুলোতে। ঠিক যখনই আপনি আপনার ভালো লাগাগুলো পরিচর্যা করা শুরু করবেন, তখন থেকেই আপনার আত্মতৃপ্তি বাড়তে শুরু করবে।

অনেক সময় শারীরিক অসংগতিও অবসাদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই যত্ন নিন আপনার স্বাস্থ্যের। লক্ষ রাখুন নিজের মানসিক দিকের প্রতিও। নিজের প্রতি সহনশীল হওয়া ভালো থাকার অন্যতম মন্ত্র।

নিজের ওপর চাপ তৈরি না করে নিজেকে রাখুন শান্ত, সুন্দর ও আত্মবিশ্বাসী।

Categories
ডোমেইন-হোষ্টিং

ডোমেন নাম খুঁজে না পেলে কি করবেন (domain name)

ওয়েবসাইটের জন্য নাম খুঁজে পাইনা। নাম পেলে (ডট কম) ডোমেইন পাইনা। আমরা প্রায় সবাই কমবেশি এই সমস্যার সম্মুখীন হই।

সমস্যায় পড়ে অনেকেই নামের সাথে বিডি লাগিয়ে দেই। আবার কেউ ডট এক্সওয়াইজেড/ ডট শপ ইত্যাদি ডোমেইন জুড়ে দেই। নতুবা নাম ছুড়ে ফেলে হতাশ হয়ে যাই এবং নতুন নাম খুঁজতে খুঁজতে ব্যবসায় করার বয়স পার করে ফেলি।

সমধানের আগে কয়েকটা উদাহারণ দেই যাদের কোম্পানির নামের এর ‘ডট কম’ ডোমেইন নিজেদের হাতে নেই। যেমন- ই-ভ্যালি, শপআপ, ই-কুরিয়ার, পেপারফ্লাই, নগদ, স্টারটেক, রবি, টেলিটক, রেপ্টো এদের সবার ডট কম ডোমেইনই আগে থেকে বুকড। অর্থাৎ অন্যরা ব্যবহার করছে। তাই বলে কি তাদের ব্যবসায় বন্ধ? ‘ডট কম ডট বিডি’ দিয়ে তো দিব্বি কোটি কোটি টাকার ব্যবসায় করছে ‘ডট কম’ ডোমেইন ছাড়াই।

আগে থেকে ব্যবহার করছে এমন বা প্রিমিয়াম করে রাখা ডোমেইনও পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে বড় অঙ্কের টাকার অফার করতে হয়। প্রায় সব ব্যক্তি/কোম্পানিই তাদের নামের বুকড ‘ডট কম’ ডোমেইন কেনার জন্য চেষ্টা করে কিন্তু তাতেও কাজ না হলে পরে অন্য দিকে ঝুঁকতে হয়। সেক্ষেত্রে তাদের সবার পছন্দই ‘ডট কম ডট বিডি’।

কেননা, ‘ডট কম ডট বিডি’ তে কান্ট্রি ডোমেইন দ্বারা ব্যবসায়ের সেবার পরিধি প্রকাশ পায়। গুগল সার্চ রেজাল্টেও ভালো সুবিধা পাওয়া যায়। প্রিমিয়াম একটা ভাব থাকে মনে হয় যেন সরকার কতৃক অনুমোদিত, বিশ্বস্ত, হাহা…। আরেকটা সুবিধা হলো কোম্পানির মূল নামটা কিন্তু ঠিকই থাকে। কোন উপসর্গ অনুসর্গ যুক্ত করার প্রয়োজন পড়ে না।

সেজন্য ডট কমের পরেই ডট কম ডট বিডি, (প্রয়োজন মাফিক) ডট নেট, ডট এক্সওয়াইজেড এসব কমনগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন। অনেকে আছে যারা জানেইনা ডট কম/নেট/ওআরজি ছাড়া ডোমেইন হয়। তাদের কাছে ডট শপ, ডট কো নিতান্তই অন্যরকম লাগবে।

তবে হ্যাঁ, যদি একই দেশে একই নামের ডট কম কেউ ব্যবহার করে তবে সেই নামের ‘ডট কম ডট বিডি’ বা অন্য কোন টপ লেভেল ডোনেইন ব্যবহার না করাই শ্রেয়। উপরের উদাহারণ গুলো হুইজ ইনফো চেক করলে দেখবেন ‘ডট কম’ওয়ালারে সব বাইরের দেশের।

Categories
ডোমেইন-হোষ্টিং

4L, 5L, 6L or two words combination domain

ডোমেইন কেনার সময় আমাদের সবার মধ্যে একটা প্রবণতা থাকে মিনিমাম 4L, 5L, 6L two words Domain । 4L ডোমেইন অবশ্য হ্যান্ড রেজিস্ট্রেশনের জন্য খালি নেই তবে অন্যগুলো কিনতে পারেন কিন্তু আপনাকে অবশ্যই ভেবেচিন্তে দেখতে হবে সেটা আসলে কি মিন করে, কেন আপনার ডোমেইনটি মানুষ কিনবে। ব্যাপারটা এমন না যে আজকে কিনবেন কালকে বিক্রি করে দিবেন। অনেক সময় ব্যাপকহারে মার্কেটিং করেও বিক্রি করা যায় না। সুতরাং তীর্থের কাকের মত বসে থাকতে হবে অথবা আপনি যদি যে কোন একটি বিষয়ে/নিসে পারদর্শী হন তাহলে এই রিলেটেড ডোমেইন আপনার জন্য ভালো হয়।। যেমন:


✓ 5L – 6L ডিকশনারি ওয়ার্ড একদম পাওয়া যায় না বললেই হয়, সেই ক্ষেত্রে দুটি শব্দের কম্বিনেশন হলে নিতে পারেন।। যেমন: ok+alt, okalt , আবার Tor+Let,( Torlet), Reb+Tin, (Rebtin), Pic+phy, (picture photography), Spa+Lit, (spalit), pas+out-(pasout)


✓ Two words: বর্তমানে ১ ওয়ার্ডের ডোমেইন পাওয়া যায় না।। সুতরাং ওয়ার্ডের ডোমেনে নিতে হবে।। এখানে প্রথম ওয়ার্ডের সাথে শেষের ওয়ার্ডের অর্থগত মিল/সমন্বয় থাকতে হবে। যেমন: service+area, my+phone ইত্যাদি।


✓ আবার মুসলিমস যেকোনো পপুলার নেম অথবা বিখ্যাত কোন স্থানের নাম, পর্যটন কেন্দ্রের নাম, বিখ্যাত ব্যক্তির নাম, সুন্দর কোন ব্র্যান্ডের নাম বুঝা যায় এমন, যে কোন ভাষার শব্দ।। যেমন: Alizaa (মুসলিম নাম), GyRide (Guyana+ride), Fav+hat(favourite hat), ব্র্যান্ডেবল নাম (niqee, sebeq, ramow, xonev, neeshy) , b2bi=acronyms (বিজনেস টু বিজনেস ইন্টিগ্রেশন). a4b(Action for business),, acronyms।


ভুলত্রুটি হলে মার্জনীয়।। দ্বিমত থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন পারলে শুধরে নিব।। সবাই ভাল থাকবেন।

Categories
ডোমেইন-হোষ্টিং

ডোমেইন নেম কেনা বেচার করার কিছু টিপস।

ব্যবসায় সফল হতে হলে যেমন অনেক টিপস এবং ট্রিকস অনুসরণ করতে হয়, তেমনি ডোমেইন কেনা বেচা করার জন্যেও বেশ কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। নিচে এরকম কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করা হল:

টার্গেট নির্ধারণ করুন: আপনি কাদের নিয়ে কাজ করতে যাচ্ছেন। অর্থাৎ ডোমেইন নেম কি ভিত্তিক হবে। আপনি টার্গেট নিতে পারেন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ই-কমার্স, কোম্পানি, কারখানা, মানুষের নাম, সংগঠন ইত্যাদি। এখন এক্ষেত্রে অবস্থা বুঝে আপনাকে দাম দিতে হবে। অনেকে আছে পছন্দ হওয়া স্বত্বেও দাম বেশী হলে সে অন্য নামে ডোমেইন কিনে নিতে পারে। তাই এমন কিছুকে টার্গেট করুন যারা আপনার ডোমেইন কিনতে বাধ্য।

মেয়াদ উত্তীর্ণ ডোমেইন কিনুন: অনেক ওয়েবসাইট মালিক আছে যাদের ডোমেইনের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় কিন্তু ডোমেইন রিনিউ করে না কিংবা মনে থাকে না। সেই সব ডোমেইন কিনে নিতে পারলে আপনি অনেক বেশী লাভবান হবেন। কেননা এদের গুগল র‍্যাঙ্ক বেশী হওয়ায় মানুষ কিনতে আগ্রহী হয় বেশী।
মার্কেট রিসার্চ করুন: নিয়মিত মার্কেট রিসার্চ করুন। মানুষ কোন ধরণের ডোমেইন বেশী কিনছে সেই দিকে খেয়াল রাখুন।

সঠিক কি-ওয়ার্ডে ডোমেইন নির্বাচন করুন: সঠিক কি-ওয়ার্ড বলতে যেমন একজন গাড়ি বিক্রির সাইট তৈরি করতে চাইলে গাড়ি সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ডে বেশী প্রাধান্য দেয়া। এছাড়া সঠিক কি-ওয়ার্ড এসইও র‍্যাঙ্কের জন্য জরুরি

Categories
চাকরি ও ক্যারিয়ার

রেফারেন্স বিড়ম্বনা জব !

বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বেশিরভাগ চাকুরী প্রত্যাশীদেরই বদ্ধমূল বিশ্বাস হয়ে গেছে: একটা রেফারেন্স হলেই জব নিশ্চিত। অর্থাৎ অমুক স্যার অথবা অমুক ম্যাডাম একটু বলে দিলেই ব্যাস হয়ে গেল । সম্পূর্ণ বাস্তবতার নিরিখে দৃঢ়ভাবে এই বিশ্বাসের বিপরীতে আমার অবস্থান। হ্যাঁ রেফারেন্সের কারণে কখনও জব হয়, কিন্তু আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে এই সংখ্যাটা খুবই কম।

তবে আমার জীবনে আমি বহুবার দেখেছি: শুধুমাত্র মাত্রাতিরিক্ত রেফারেন্সের কারণে একেবারে নিশ্চিত হয়ে যাওয়া চাকুরীটা বাতিল হতে, রেফারেন্স এর কারণে শর্ট লিস্টে সিভি নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও ইন্টারভিউ লিস্ট থেকে বাদ পড়তে , আবার ইন্টারভিউ ভালো হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র রেফারেন্স থাকার কারণে চাকুরী না পেতে। আপনাদের অবগতির জন্য বলছি রেফারেন্স যত বড়ই হোক না কেন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানসমূহে এটাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে বিবেচনা করা হয় না। আবার কখনও চক্ষুলজ্জার কারনে রেফারেন্স এর অনুরোধে জব হলেও সেটা খুব বেশি সম্মানের বা টেকসই হয় না।

তাই চাকুরী প্রার্থীদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ: এভাবে রেফারেন্স এর পিছনে হন্যে হয়ে না ছুটে, নিজের প্রতি বিশেষ মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে সম্ভাব্য পদগুলোতে আবেদন করুন, সাহসের সঙ্গে ইন্টারভিউ ফেস করুন। এভাবে এক দুই জায়গা থেকে রিফিউজ হলেও ইনশাআল্লাহ একটা সময় আপনি আপনার সাথে মানানসই জবটা পেয়ে যাবেন। এইটুকু ধৈর্য্য তো চাইই, নাকি বলেন?

(বি: দ্র: এই বিষয়ে আরও অনেক অভিজ্ঞতা share করার আছে, আবারও লিখব)

Categories
অনলাইন ইনকাম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফ্রিল্যান্সার হতে চান ? কিভাবে শুরু করবেন ?

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ।

বন্ধুরা আজ আমরা জানবো ফ্রীলান্স ও ফ্রিল্যান্সিং কি?অনেকেই এই প্রশ্ন করে থাকেন আমি ফ্রিল্যান্সার হতে চাই কিভাবে শুরু করব ফ্রিল্যান্সিং কি জিনিস ইত্যাদি ইত্যাদি।

চলুন তাহলে জানাযাক……..!

ফ্রিল্যান্স ও ফ্রিল্যান্সার সাধারনত ওই সকল ব্যক্তিদের কাজ বা পেশা কে বলে যা স্বকর্মসংস্থান যুক্ত এবং কোন নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার সাথে দীর্ঘ মেয়াদে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়, আর এই কাজ বা পেশাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। ফ্রিল্যান্সিং বলতে আমরা সাধারণত আইটি টেকনোলজির সাথে সম্পৃক্ত বুঝে থাকি কিন্তু মূলত বিষয়টি এমন নয় যেকোনো ধরনের কাজ যদি ইন্ডিভিজুয়াল অর্থাৎ স্বতন্ত্র হয়ে থাকে তাহলেই আভিধানিক ভাষায় সেটিকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়ে।

এবার আসি আমরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সার হব কারণ ফ্রিল্যান্সার হওয়ার পরই আমরা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারব, প্রথমেই আমাদের আগে নিজেদের মধ্যে নিজেকে খুঁজতে হবে অর্থাৎ কোন বিষয়ের প্রতি আমার আগ্রহটা বেশি কোন কাজটি আমি বেশী আগ্রহের সাথে করতে পারি, যেই কাজের প্রতি যার আগ্রহ বেশি থাকে তার যদি ওই কাজের কোনো অভিজ্ঞতা বা ধারণা নাও থাকে তার পরেও তার আগ্রহের কারণে তার চেষ্পটার রিমাণটা অনেক বেড়ে যায় এবং সে ওই বিষয়ের উপরে অনেক অনেক ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে পারবে।যখন আমি আমার টার্গেট নির্ধারণ করে ফেললাম তারপর আমাকে খুঁজে খুঁজে টিউটোরিয়াল দেখে দেখে অথবা ভালো কোন ইনস্টিটিউট বা কোচিং সেন্টার থেকে অথবা অনলাইনে কোর্সের মাধ্যমে বেশি থেকে বেশি প্র্যাকটিস করে আমার স্কিল ডেভেলপ করতে হবে।

যখন নিজের মধ্যেই নিজের একটি কনফিডেন্স কাজ করবে ইনশাআল্লাহ এখন আমি ভালো একটা কিছু করতে পারবো তখনই আমি প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সিংয়ে পাদিবো, তার মানে এটা নয় যে শিখা অবস্থায় আমি কোন কাজই করব না অবশ্যই কাজ করব বিভিন্ন কাজ করব কিন্তু প্রফেশনাল ওয়েতে পাদিব না, তার কারণ হলো আমি যদি ভালো স্কিল না করে প্রফেশনাল ওয়েতে পা দেই তাহলে কোনভাবে যদি আমার স্কিল বা কাজের উপরে কালো দাগ লাগে অর্থাৎ আমার প্রোফাইলে কোন ব্যাড স্পট পরে তাহলে ফিউচারের জন্য বেশি ভালো হবে না তাই স্কিল ডেভলপ করে যখন নিজের আত্মবিশ্বাস হবে তখন ইনশাআল্লাহ আমরা প্রফেশনাল ওয়েতে পা রাখবো।

এখন আসা যাক আমরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো,প্রথমত দেখা যাবে আমরা কাজ শিখতে শিখতেই অনেকটা জেনে ফেলবো কোথা থেকে কিভাবে আয় করা যায় কোন কোম্পানি বা প্ল্যাটফর্মটি বিশ্বস্ত তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের অনেক কমিউনিটি এবং প্ল্যাটফর্ম আছে যার মাধ্যমে আমরা সঠিক ওয়ে গুলো খুজে পাব।

এখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আমাকে খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে কে বা কারা আগ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং করে আসছে। তাদের পরামর্শ নিয়েই আমি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম গুলো খুঁজে নিবো । তাহলে আমাকে ফ্রডের আওতায় পড়তে হবে না তাছাড়া আমরা তো আছি আপনাদের পাশে আপনারা যারা শুরু করতে চান আপনারা শুরু করুন কে কোন বিষয়ের উপরে নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে চান সেটা আগে ডিসাইড করুন ।

আমাদের সাথে এই ফোরামে যুক্ত থাকুন এখানে ফলো আপ করুন ইনশাআল্লাহ আপনার যেকোন প্রশ্ন এবং আপনার সহযোগিতার জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত ধন্যবাদ।

আপনি যদি চান ডোমেইন বেচাকেনা বিজনেস করবেন তাহলে সে সম্পর্কে তো আমাদের একটি পেজ আছে সেই পেজে লাইক দিয়ে জয়েন হয়ে আমাদের পোষ্ট গুলো পড়তে পারেন আশা করি উপকারে লাগবে | Page Name : Domain Buy Sell Business |

Categories
ডোমেইন-হোষ্টিং

http ও https-এর কাজ এবং পার্থক্য কী?

http (hyper text transfer protocol) আর https (hyper text transfer protocol secure) এর পার্থক্য বুঝতে গেলে আপনাকে আগে end to end এনক্রিপশন কি তা বুঝতে হবে, আমি আপাতত সংক্ষেপে তুলে ধরলাম-


ধরুন আপনার মা আপনাকে বক্সভর্তি কিছু মালামাল পাঠাবে, যার হাতে পাঠাবে সে যাতে বক্স না খুলতে পারে সেজন্য আপনার মায়ের হাতে ৩ টা উপায় আছে-


তালা মেরে দেয়া (আপনি চাবি পাবেন কোথায়?)তালা মেরে চাবি দিয়ে দেয়া (যে কেউ চাবি দিয়ে খুলে ফেলতে পারবে)চাবি অন্য লোকের মাধ্যমে পাঠানো (ঐ লোক যে সৎ তার কোন গ্যারান্টি নেই)দেখা যাচ্ছে কোনটাই ইফিশিয়েন্ট নয়, তবে অন্যভাবে চিন্তা করুন-


আপনি একটি খোলা তালা আপনার মা কে পাঠালেনআপনার মা বক্সে ঐ তালাটা মেরে দিলো, চাবি আপনার কাছেই আছে, কেউ দেখেনি, চুরি বা কপি করার উপায়ও নেই।end to end এনক্রিপশনও এরকম, আপনি আপনার ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য পাবলিক কি (খোলা তালা) ডিস্ট্রিবিউট করবেন। ঐ কি দিয়ে এনক্রিপ্ট করা ফাইল কেবলমাত্র আপনার কাছে থাকা গোপন কি (চাবি) দিয়ে ডিক্রিপ্ট করা যাবে।


http কানেকশন ব্যাবহার করে আপনি আপনার বন্ধুকে “কেমন আছো?” এই বার্তাটি পাঠালে এটি কমপ্রেসড্ প্লেইন টেক্সট হিসেবে প্রথমে আপনার রাউটার বা ল্যান কানেকশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এর কাছে যাবে, সেখান থেকে সংক্ষিপ্ততম মাধ্যমে আপনার বন্ধুর ডিভাইসে ট্রান্সফার হবে। মাঝপথে এই যে “ডাটা ট্রাভেল” চলছে এখানে যে কেউই ইচ্ছা করলে সিম্পল কিছু টুল ইউজ করে আপনার প্রেরণকৃত ডাটা লুফে নিতে পারবে।

https এ আপনার আর সার্ভারে কানেকশন স্টাবলিশ হওয়ার সাথে সাথে SSL সার্টিফিকেট এক্সচেঞ্জ হয়, এই সার্টিফিকেটে আপনার এবং সার্ভারের “পাবলিক কি” দেয়া থাকে। আপনি যা পাঠাবেন তা সার্ভারের পাবলিক কি দিয়ে এনক্রিপ্টেড হয়ে যাবে, সার্ভার যা ফেরত পাঠাবে তা আপনার পাবলিক কি দিয়ে এনক্রিপ্টেড হয়ে যাবে। মাঝপথে যারা আপনার ডাটা লুফে নিবে তারা “কেমন আছো?”-র পরিবর্তে এমন কিছু দেখবে—ad7ff25404d7aef6292212c7329bb9fae37ebeedabeba6190337b43571b84912

Categories
ডোমেইন-হোষ্টিং

ডোমেইন নাম কি চেঞ্জ করা যাবে ?

আপনি কোন ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করার পর সেই ডোমেইনটির নাম আপনি কখনোই আর পরিবর্তন করতে পারবেন না। আপনি চাইলে নতুন করে অন্য নামে আরেকটি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে বা অন্য নামে একটি ডোমেইন কিনে আপনার ব্যবসার ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।


তবে, হ্যাঁ রেজিস্ট্রেশন করার পর যদি দেখেন ডোমেইনের বানানটি ভুল হয়েছে। তাহলে, সেক্ষেত্রে ডোমেইনটি ডিলিট করে টাকা ব্যাক নিতে পারেন। তবে তার জন্য নির্দিষ্ট সময় রয়েছে।


রেজিস্টার ভেদে ডোমেইন ফেরত দেওয়ার সময়সীমা ভিন্ন। গোড্যাডী ৪৮ ঘন্টার সময় দেয় ডোমেইন দেরত দিয়ে টাকা রিফান্ড করে আবার কেনার। নেমচিপ সাধারণত ৭২ ঘন্টার সময়সীমা বেধে দেয় যদি আপনি কোন সদ্য রেজিস্ট্রেশন করা ডোমেইন ফেরত দিতে চান।এপিক ৫ দিন পর্যন্ত সময় দেয় আপনার নতুন রেজিস্ট্রেশন করা ডোমেইন ফেরত দিয়ে আবার অন্য একটা কিনতে।আরও অনেক রেজিস্টার ডোমেইন রিফান্ড করে।


নোটঃ
* ডোমেইন ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ICANN চার্জ কেটে রাখা হয় সর্বোচ্চ 0.50$ বা 1$ ।
* শুধুমাত্র gTLDs ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।