Categories
শিক্ষা ও বই

এসএসসির ফল ঈদের পর, প্রি-রেজিস্ট্রেশন শুরু !

আগামী ২২ মে এর পর যেকোন দিন এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে। ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে শিক্ষাবোর্ডগুলো।  করোনা ভাইরাসের কারণে এবছর ফলাফল পেতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ।

নিয়ম অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়। সে হিসেবে চলতি মাসের শুরু দিকে এবারের মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করার কথা ছিল। তবে করোনাভাইরাসের কারণে গত ৮ বছরের মধ্যে এই প্রথম নির্ধারিত সময় ৬০ দিনের আগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এসএসসি পরীক্ষার এই ফল জানাতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করেছে মোবাইল অপারেটরগুলো। গ্রাহকদেরকে এরইমধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে সে তথ্য জানাতে শুরু করেছে তারা। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফল এর প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ফল প্রকাশের দিন স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘরে থেকে সরাসরি মোবাইলে ফল পেতে মেসেজ করতে হবে। সেজন্য টাইপ করতে হবে এই নিয়মে : SSC<>Board Name<>Roll<>Year। আর এটি পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নাম্বারে। একজন যতবার খুশি ততবার পাঠাতে পারলেও সেজন্য চার্জ প্রযোজ্য হবে। চার্জ প্রযোজ্য হবে প্রত্যেকটি রেজিস্টেশন এর জন্য মাত্র ২ টাকা করে। 

Categories
শিক্ষা ও বই

শূন্য কী জোড় সংখ্যা না কি বেজোড় সংখ্যা?

শূন্য (০) জোড় না বিজোড়!

কিছুদিন আগে, আমাদের একজন প্রশ্ন করেছিলেন। শূন্য কি জোড় না বিজোড়? এটা অনেকের কাছেই প্রশ্ন। অনেকেই জানেন না, শূন্য জোড় না বিজোড়!? যারা জানেন, তারাও খুব ভাল করে এর ব্যাখা জানেন না। প্রশ্নকর্তাকে উত্তরটি দেওয়া হয়েছিল, এখন বিস্তারিত লিখছি।

আগে আসলে, শূন্যকে সংখ্যার মর্যাদাই দেওয়া হত না। শূন্যকে প্রথমবার সংখ্যা হিসেবে তুলে ধরেন, এই উপমহাদেশেরই এক বিখ্যাত গণিতবিদ, ‘ব্রহ্মগুপ্ত’ ; তার একটি বিখ্যাত বই ছিল, “ব্রহ্মাস্ফূটসিদ্ধান্ত” ; এই বইয়ে প্রথমবারের মতন, শূন্যকে (০) সংখ্যা হিসেবে দেখানো হয়। এই বইটি ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হলেও, শূন্যকে (০) সংখ্যার মর্যাদা দেওয়া হয়, ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে !!

শূন্যকে (০)সংখ্যার মর্যাদা দেওয়ার পর, গণিতবিদরা একটি সমস্যায় পড়েন। তাদেরকে প্রশ্ন করা হল, শুন্য(০) জোড় না বিজোড়!?

আচ্ছা, জোড় সংখ্যা কি? যেসব সংখ্যার একক স্থানে, ২,৪,৬,৮ বা ০(!) থাকে সেগুলো হল জোড় সংখ্যা ।আর বাকিগুলো বিজোড়।

একক স্থানে শূন্য (০) থাকলে, কেন জোড় হবে? ধরি, ১০; এর একক স্থানে রয়েছে শূন্য (০), এবং ১০ একটি জোড় সংখ্যা। কারণ, একে জোড়া হিসেবে সাজানো যায়। আমরা ১০ কে ৫ জোড়ায় সাজাতে পারি। তাই ১০ হল জোড়। তাই একক স্থানে শুন্য(০) থাকলে, জোড় হয়।

কিন্তু, শূন্য (০) এর আগে, যদি কোনো সংখ্যা না থাকে, শুধুমাত্র শূন্য (০) কি জোড় না বিজোড়?

সত্যি বলতে, শূন্য (০) আসলেই জোড় সংখ্যা। একটি জোড় সংখ্যা হওয়ার জন্য সকল শর্তই শূন্য (০) পালন করে।

জোড় সংখ্যা, হল সেসব সংখ্যা, যেগুলো ২ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হয়।
যেমনঃ ৪/২ = ২; ৬/২ = ৩; অতএব, ৪,৬ এগুলো জোড় সংখ্যা। কিন্তু আমরা যদি ৩ নেই, তাহলে কি পাব। ৩/২ = ১.৫; এটি নিঃশেষে বিভাজ্য নয়। এখন আমরা যদি, শূন্য (০) নেই, তাহলে কি পাব? ০/২ = ০; এটি নিঃশেষে বিভাজ্য। তাই এটি জোড়!

ব্যাপারটা আরেকটু সহজ করি, আমরা ২কে যেকোনো কিছু দিয়ে গুন দিলে যা পাব তাই জোড়। যেমনঃ ২X১=২, ২x২=৪, ৩x২=৬, ৪x২=৮; ২,৪,৬,৮ এগুলো জোড় সংখ্যা। এখন আমরা, ২ কে যদি শূন্য (০) দিয়ে গুন দেই তাহলে কি পাব? ২x০=০; অর্থাৎ, শূন্য (০) জোড়।

আমি চিন্তা করে, আরো কিছু উপায় বের করেছি, যা দ্বারা বোঝা যাবে শূন্য (০) জোড় সংখ্যা। কোনো জোড় সংখ্যার সাথে, যদি আপনি জোড় সংখ্যা যোগ করেন, একটি জোড় সংখ্যাই পাবেন। কিন্তু যদি একটি বিজোড় সংখ্যার সাথে, জোড় সংখ্যা যোগ করেন, পাবেন বিজোড় সংখ্যা। তাহলে, কোনো সংখ্যার সাথে একটি জোড় সংখ্যা যোগ করলে যদি যোগফল জোড় হয়, তাহলে সংখ্যাটি জোড়, আর যদি যোগফল বিজোড় হয়, তাহলে সংখ্যাটি বিজোড়।

এখন, ০ এর সাথে একটি, জোড় সংখ্যা যোগ করি। যেমনঃ ৪; ০+৪ = ৪;
৪ একটি জোড় সংখ্যা। তাই শূন্য (০) ও জোড়!!!

ব্যাপারটি আরোও একটু সহজ করি। আমরা সংখ্যা রেখার কথা চিন্তা করি। প্রতি এক সংখ্যা পর পর জোড় বা বিজোড় সংখ্যা পাওয়া যায়, বা, কোনো বিজোড় সংখ্যার আগে ও পরে জোড় সংখ্যা থাকবে। যেমনঃ ৩; এর আগে ২ ও পরে ৪; উভয়ই জোড়। এখন আমরা যদি ১ নেই, তাহলে এর পরে ২ ও আগে শূন্য (০)!!!

শূন্য (০) যে জোড় সংখ্যা, এ ব্যাপারটি আশা করি, সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।

Categories
শিক্ষা ও বই

আমি বিনামূল্যে বাংলা ই-বইগুলো কোথায় পাব?

প্লে-স্টোরে দুটো এ্যাপের সাজেশন দিচ্ছি। এই এ্যাপগুলো অনেকটা নেটফ্লিক্সের মতোন। সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে অনেক বই পড়তে পারবেন। নেট থেকে ডাওনলোড করে পিডিএফ পড়া আমি তেমন একটা সমর্থন করি না।

১। সেইবই—Sheiboi : সবদিক বিবেচনায় এটা আমার কাছে সেরা। প্রচুর প্রচুর বই এর কালেকশন আছে এদের কাছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ বই ই ফ্রি।

লিংক – Sheiboi : Largest Bangla eBook store and Reader – Apps on Google Play

২। বইঘরঃ এটাও সেইবই এর মতোন আরেকটা এ্যাপ তবে সেইবই এর তুলনায় কালেকশন কিছুটা কম। তবে এই এ্যাপের বিল্ট-ইন রিডার টা একদম অসাধার। স্ক্রলিং করলে মনে হবে সত্যিকারের পাতা ওল্টাচ্ছেন। আর এই এ্যাপের লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট টাও সেরা। এখানেও প্রচুর ফ্রি বই আছে। বাকি গুলো সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে পড়তে পারবেন।

লিংক – BoiGhor – Apps on Google Play

দুটো এ্যাপই 🇧🇩 বাংলাদেশি ডেভেলপার দ্বারা তৈরি। আপনি বাংলাদেশে বসবাস করে থাকলে মোবাইল ফোন রিচার্জ কিংবা বিকাশ/রকেট দিয়ে সাবস্ক্রিপশন নিতে পারবেন। আর বাংলাদেশের বাইরে হলে কার্ড দিয়ে নিতে হবে। আরো সুসংবাদ যে, দুটো এ্যাপের সাবস্ক্রিপশন ফি খুবই কম।

যেসব সাইট থেকে বৈধভাবে বিনামূল্যে বাংলা বই পড়া যায়, সেগুলোর কিছু কিছু বের করেছি। যেমন:

  • http://dspace.wbpublibnet.gov.in… পশ্চিমবঙ্গের গণগ্রন্থাগার নেটওয়ার্কের এ ডিজিটাল স্পেসে অনেক দুর্লভ বইয়ের আদি সংস্করণ আছে। ক্যাটেগরিতে ভাগ করা আছে। বাংলা-ইংরেজি দু রকম বই-ই আছে। বিদ্যায়তনিক বা স্রেফ ফিকশন–অনেক বই আছে।
  • http://drh-seqaep.org/ সেকায়েপ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বইগুলো এখানে পাওয়া যাবে।
  • আলোর পাঠশালা || বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র অনলাইন বইপড়া কর্মসূচি–বর্তমানে মেরামত করা হচ্ছে। কিছুদিন পর পর ঢুঁ মেরে দেখবেন কী অবস্থা!
  • Bangla Academy Library | বাংলা একাডেমি গ্রন্থাগারের বইগুলো দুর্লভ। পুথির বই আছে অনেক। কিন্তু সমস্যা হলো কষ্ট করে পড়তে হয়। পিডিএফ ফরম্যাট নেই। মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজীকে ইমেইল করেছিলাম। আমাকে অবাক করে দিয়ে তিনি ইতিবাচক সাড়াও দিয়েছেন (সরকারি কর্মকর্তারা sour curry ‌‌‌‌হন কী না সচরাচর!)!
  • https://sovietbooksinbengali.blogspot.com সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রকাশিত মনোহর ও গভীর চিন্তাধারার দুর্লভ বইগুলোর সংরক্ষণাগার। এ ছাড়া বইগুলো আর হয়তো সংরক্ষণই করা যেত না। তবে আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো, বাংলাদেশে দ্যু প্রকাশন ও বোধির মতো কিছু প্রকাশনা সংস্থা বইগুলো পুনঃপ্রকাশ করছে।
  • Dr Amin Library এক ভদ্রলোকের অনলাইন গ্রন্থাগার, যাতে দুর্লভ বেশ কিছু বই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে!
Categories
শিক্ষা ও বই

কীভাবে সপ্তাহে একটি বই পড়তে পারবেন?

আমি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সদস্য। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের গাড়িটি এক সপ্তাহ অন্তর অন্তর আসে। সুতরাং, একটা ‘প্রেরণা’ থাকে বইটা এক সপ্তাহে শেষ করার। বইগুলো অবশ্যই বড় বড় হয় না। ছোট ছোট বই-ই পড়ি। মানে আকারে ছোট, তবে সারটুকু ছোট নয় অবশ্যই।

এমন কোনো লাইব্রেরির‌ সদস্য হতে পারেন, যেটা আপনাকে বই যথাসময়ে ফেরত দিতে উৎসাহিত করবে।‌

আর একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করে রাখলে তো অবশ্যই ভালো। আসলে, এটাও একটা রুটিনের ভেতর পড়ে। যেমন ধরেন, আমি তো আরবি পুরো জানি না, তাই কুরআন শরিফের অর্থ, ব্যাখ্যা, একেশ্বরবাদিতার সপক্ষের বই, নিরীশ্বরবাদিতার সপক্ষে বই–এসব এক পৃষ্ঠা, দুই পৃষ্ঠা করে পড়ি; ফজরের নামাজ আর মাগরিবের নামাজের পর।‌ পড়ে বোঝার চেষ্টা করি, মুসলমান গৃহে জন্ম বলেই আমি মুসলমান; নাকি জন্মগতভাবেই।

আর নিয়ম করে পড়ার তালিকায় থাকে কোনো না কোনো বিজ্ঞানের বই। হোক জনপ্রিয় বিজ্ঞান বা ‘আসল’ বিজ্ঞান।

নিয়মতান্ত্রিকভাবে বই পাঠের জন্য একটা উপায় বের করেছি। অন্তত পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন ঘরানার বইয়ের জন্য পাঁচটা কলাম করুন। এরপর প্রতি কলামে পাঁচটি করে বইয়ের নাম লিখুন, যেগুলো আপনি পড়তে চান; বা পড়া উচিত। এতে করে এলোমেলো পড়া বন্ধ হবে এবং বেশি উপকৃত হবেন। অনেক বই-ই দেখা যায় শেলফে বহু দিন পড়ে থাকে। এই রুটিনের মাধ্যমে ঐ বইগুলোও শেষ হবে।

তাছাড়া বড় বই বা জটিল বই দোহাই দিয়ে যেসব বই ফেলে রেখেছেন, সেগুলোও পড়া হয়ে যাবে। যেকোনো এক ঘরানার বই নিয়ে পড়ে থাকা গ্রন্থ পাঠের জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে আমি মত প্রকাশ করি।

Categories
শিক্ষা ও বই

বাংলা বানান শুদ্ধ করার উপায়!

একমাত্র চর্চার মাধ্যমে বানান শুদ্ধ করা যায়। আমরা অনেক সময়ই সঠিক বানান অনুযায়ী উচ্চারণ করি না। বাংলা লিপিতে তিনটে ‘শ’ ( শ, ষ, স ) থাকা সত্ত্বেও আমরা উচ্চারণ করি ‘তালব্য শ’। আবার দুটো ‘ন’ ( ন, ণ ) কে উচ্চারণ করি ‘দন্ত্য ন’ হিসেবে। কিন্তু লেখার সময় কখন ‘মূর্ধন্য ‘ষ’ হবে এবং কখন ‘মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে , তাই জানার জন্যে বাংলা ব্যকরণের থেকে ‘ণত্ব’ বিধান ও ‘ষত্ব’ বিধান পড়তে হবে। আমি এখানে অল্প কিছু নিয়ম লিখছি। সংস্কৃত থেকে যেসব শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে সে সব শব্দে যদি র, ঋ রেফ, রফলা থাকে এবং পরবর্তী বর্ণ যদি ‘ ‘স’ হয় তবে সেই ‘স’ অবশ্যই ‘ষ’ হবে। উদাহরণ হিসেবে ‘কৃষ্ণ’ শব্দের ‘ঋ’ এর পরবর্তী বর্ণ মূর্ধ্যন্য ‘ষ’। আবার ‘র, ঋ, রফলা বা রেফ’ এর পরবর্তী বর্ণে যদি ‘ন’ থাকে তা ‘ণ’ হয়ে যাবে। যেমন, উদাহরণ, কারণ ইত্যাদি। এতো গেল ‘ণ’ ও ‘ষ’ এর বানান।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে সন্ধি বিচ্ছেদ করে সঠিকভাবে বানান লেখা যেতে পারে। যেমন ‘উজ্জ্বল’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয় উদ্ + জ্বল। ‘নমস্কার’ শব্দকে সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয় নমঃ + কার।

বাংলা উচ্চারণ করার সময় আমরা প্রায়ই ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ করে থাকি। আজকাল তাই ‘কলকাতা’ কে ‘কোলকাতা লেখা হয়। কিন্তু সবসময় ‘অ’ কে ‘ও’ লেখা চলবে না। ‘অরুণ’ কে ‘ওরুণ’ লিখলে বানান ভুল হবে। তাই অর্থ জেনে বানান শিখতে হবে।

আমরা যদি আমাদের আসেপাসের অন্য কোনো একটি ভাষার সাথে তুলনা করে বানান শিখি তাহলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়। আমি এখানে হিন্দির সাথে তুলনা করে লিখছি। হিন্দিতে দূধ ( ঊ ), বাংলায় দুধ( উ )।

আমার জ্ঞান সীমিত। শুধু বলতে পারি মনোযোগ সহকারে নিয়মিত বই পড়লে ও লিখলে বানান ভুলের সম্ভবনা কমে যাবে।