Categories
অনলাইন ইনকাম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফ্রিল্যান্সার হতে চান ? কিভাবে শুরু করবেন ?

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ।

বন্ধুরা আজ আমরা জানবো ফ্রীলান্স ও ফ্রিল্যান্সিং কি?অনেকেই এই প্রশ্ন করে থাকেন আমি ফ্রিল্যান্সার হতে চাই কিভাবে শুরু করব ফ্রিল্যান্সিং কি জিনিস ইত্যাদি ইত্যাদি।

চলুন তাহলে জানাযাক……..!

ফ্রিল্যান্স ও ফ্রিল্যান্সার সাধারনত ওই সকল ব্যক্তিদের কাজ বা পেশা কে বলে যা স্বকর্মসংস্থান যুক্ত এবং কোন নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার সাথে দীর্ঘ মেয়াদে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়, আর এই কাজ বা পেশাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। ফ্রিল্যান্সিং বলতে আমরা সাধারণত আইটি টেকনোলজির সাথে সম্পৃক্ত বুঝে থাকি কিন্তু মূলত বিষয়টি এমন নয় যেকোনো ধরনের কাজ যদি ইন্ডিভিজুয়াল অর্থাৎ স্বতন্ত্র হয়ে থাকে তাহলেই আভিধানিক ভাষায় সেটিকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়ে।

এবার আসি আমরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সার হব কারণ ফ্রিল্যান্সার হওয়ার পরই আমরা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারব, প্রথমেই আমাদের আগে নিজেদের মধ্যে নিজেকে খুঁজতে হবে অর্থাৎ কোন বিষয়ের প্রতি আমার আগ্রহটা বেশি কোন কাজটি আমি বেশী আগ্রহের সাথে করতে পারি, যেই কাজের প্রতি যার আগ্রহ বেশি থাকে তার যদি ওই কাজের কোনো অভিজ্ঞতা বা ধারণা নাও থাকে তার পরেও তার আগ্রহের কারণে তার চেষ্পটার রিমাণটা অনেক বেড়ে যায় এবং সে ওই বিষয়ের উপরে অনেক অনেক ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে পারবে।যখন আমি আমার টার্গেট নির্ধারণ করে ফেললাম তারপর আমাকে খুঁজে খুঁজে টিউটোরিয়াল দেখে দেখে অথবা ভালো কোন ইনস্টিটিউট বা কোচিং সেন্টার থেকে অথবা অনলাইনে কোর্সের মাধ্যমে বেশি থেকে বেশি প্র্যাকটিস করে আমার স্কিল ডেভেলপ করতে হবে।

যখন নিজের মধ্যেই নিজের একটি কনফিডেন্স কাজ করবে ইনশাআল্লাহ এখন আমি ভালো একটা কিছু করতে পারবো তখনই আমি প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সিংয়ে পাদিবো, তার মানে এটা নয় যে শিখা অবস্থায় আমি কোন কাজই করব না অবশ্যই কাজ করব বিভিন্ন কাজ করব কিন্তু প্রফেশনাল ওয়েতে পাদিব না, তার কারণ হলো আমি যদি ভালো স্কিল না করে প্রফেশনাল ওয়েতে পা দেই তাহলে কোনভাবে যদি আমার স্কিল বা কাজের উপরে কালো দাগ লাগে অর্থাৎ আমার প্রোফাইলে কোন ব্যাড স্পট পরে তাহলে ফিউচারের জন্য বেশি ভালো হবে না তাই স্কিল ডেভলপ করে যখন নিজের আত্মবিশ্বাস হবে তখন ইনশাআল্লাহ আমরা প্রফেশনাল ওয়েতে পা রাখবো।

এখন আসা যাক আমরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো,প্রথমত দেখা যাবে আমরা কাজ শিখতে শিখতেই অনেকটা জেনে ফেলবো কোথা থেকে কিভাবে আয় করা যায় কোন কোম্পানি বা প্ল্যাটফর্মটি বিশ্বস্ত তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের অনেক কমিউনিটি এবং প্ল্যাটফর্ম আছে যার মাধ্যমে আমরা সঠিক ওয়ে গুলো খুজে পাব।

এখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আমাকে খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে কে বা কারা আগ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং করে আসছে। তাদের পরামর্শ নিয়েই আমি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম গুলো খুঁজে নিবো । তাহলে আমাকে ফ্রডের আওতায় পড়তে হবে না তাছাড়া আমরা তো আছি আপনাদের পাশে আপনারা যারা শুরু করতে চান আপনারা শুরু করুন কে কোন বিষয়ের উপরে নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে চান সেটা আগে ডিসাইড করুন ।

আমাদের সাথে এই ফোরামে যুক্ত থাকুন এখানে ফলো আপ করুন ইনশাআল্লাহ আপনার যেকোন প্রশ্ন এবং আপনার সহযোগিতার জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত ধন্যবাদ।

আপনি যদি চান ডোমেইন বেচাকেনা বিজনেস করবেন তাহলে সে সম্পর্কে তো আমাদের একটি পেজ আছে সেই পেজে লাইক দিয়ে জয়েন হয়ে আমাদের পোষ্ট গুলো পড়তে পারেন আশা করি উপকারে লাগবে | Page Name : Domain Buy Sell Business |

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফাইবার পরিষেবার শর্তাবলী !

www.fiverr.com এ আপনাদের স্বাগতম। এটা এমন একটা মার্কেটপ্লেস যেখানে বিভিন্ন ধরনের সেবা আদান প্ররান করা হয়। তবে আপনাকে অবশ্যই নিন্মবর্ণিত শর্তগুলো মেনে ফাইভার ব্যাবহার করতে হবে। সুতরাং এই মার্কেটপ্লেস ব্যাবহার শুরু করার আগে এখানে সেবা আদান প্রদানের শর্তগুলো ভাল করে পড়ে নিন।

  1. এই সাইট ব্যাবহার করা, একাউন্ট খোলা অথবা “Accept or agree to the Terms of Service” বাটনে ক্লিক করার মানে হচ্ছে আপনি ফাইভারের “Terms of Service” অর্থাৎ সেবা আদান প্রদানের শর্তগুলো মেনে নিয়েছেন এবং একমত পোষণ করছেন। আপনি যদি এই শর্তগুলোর সাথে একমত পোষণ না করেন তবে এই সাইট ব্যাবহার করা এমনকি সাইটে প্রবেশ করা থেকেও বিরত থাকুন।
  2. এই সাইট ব্যাবহার করার জন্য আপনার বয়স অবশ্যই ১৩ বছর বা তার বেশি হতে হবে। এর নিচে হলে এখানে সেবা আদান প্রদান করতে হলে পিতামাতার অনুমতি লাগবে। কারন, আপনি যখন এই সাইট ব্যাবহার করছেন তার মানে দাড়াচ্ছে যেকোন আন্তর্জাতিক ডিল করার জন্য আপনার বয়স আঈনত বৈধ। সুতরাং আপনার বয়স যদি ১৩ বছরের কম হয় তবে এই সাইট আপনার ব্যাবহার করা উচিৎ নয়।
  3. ফাইভারের কাস্টমার সাপোর্ট সেন্টার দিনে ২৪ ঘন্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিনই খোলা আছে। ফাইভার সাইট নিয়ে অথবা শর্তাবলী নিয়ে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে যোগাযোগ করুন। (উল্লেখ্য এটা লাইভ সাপোর্ট না)

মূল শর্তাবলীঃ

  • ফাইভারে প্রদত্ত সেবাগুলোকে  Gig®  বলা হয়।
  • গিগের মাধ্যমে যারা সব সার্ভিস বা সেবা প্রদান করে থাকেন তাদের  Sellers বলা হয়।
  • যারা এই সার্ভিসগুলো কেনে তাদেরকে  Buyer বলা হয়।
  • Gig Page হচ্ছে সেই যায়গা যেখানে একজন সেলার কি কি সেবা দিতে চান (বা কাজ করতে চান) সেগুলোর বিস্তারিত বর্নান দেয়া থাকে, আর ক্লায়েন্ট সেখান থেকে গিগ কিনে সেবা (বা কাজ) অর্ডার করেন।
  • Gig Extra হচ্ছে মুল কাজের সাথে সম্পর্কযুক্ত অতিরিক্ত কিছু সেবা যেগুলো গিগের নিচে আলাদা ভাবে একজন সেলার যুক্ত করেন। (এই সেবার জন্য ক্লায়েন্টকে আলাদা চার্জ করা হয়)
  • একাধিক সেবার জন্য Gig Extras থেকে অর্ডার না করে যদি একই গিগ বার বার অর্ডার করা হয় তবে তাকে Gig Multiples বলে।
  • Gig Packages হচ্ছে একাধিক সার্ভিস একত্রে অফার করা। এর সুবিধা হচ্ছে একই গিগে ভিন্ন ভিন্ন দামে ভিন্নি ভিন্ন সার্ভিস সাজিয়ে রাখা যায়। অনেকটা আমরা মোবাইলে যেমন বান্ডেল প্যাক কিনি তেমন। ফাইভারে একটা গিগে সর্বোচ্চ ৩ টা পেকেজ এড করা যায়।
  • Custom Offers হলো এমন বিশেষ প্রস্তাব (Price Quote) যেটা ক্লায়েন্টের কিছু নির্দিষ্ট চাহিদার প্রেক্ষিতে একজন সেলার ক্লায়েন্ট কে অফার করে।
  • একজন সেলারের কাছ থেকে Custom Offer পাবার জন্য একজন বায়ার যখন তার চাহিদার বিস্তারিত বিবরন দিয়ে সেলার কে মেসেজ দেয় তখন তাকে Custom Order বলে। কিন্তু বায়ার যদি গিগ ভিজিট করে “Contact me” অপশন থেকে মেসেজ দেয় তবে সেটা সাধারন মেসেজ। আর যদি প্রফাইল ভিজিট করে সর্বশেষ গিগের পাশে “Request a Custom Order” অপশন থেকে মেসেজ দেয় তবে সেটা হবে Custom Order (এদের মাঝে মৌলিক কোন পার্থক্য নেই) উভয় ক্ষেত্রেই রিপ্লাই দেয়ার সময় কাস্টম অফার পাঠানো যাবে।
  • Order হচ্ছে ক্লায়েন্ট ও সেলারের মাঝে আনুষ্ঠানিক চুক্তি (যখন কোন গিগ অর্ডার করা হয়)
  • Disputes হচ্ছে একটি অর্ডার চলাকালীন সময়ে বায়ার ও সেলারের মাঝে চলমান মতবিরোধ যেকোন ধরনের ঝগড়া বা মতবিরোধ।
  • Revenue হচ্ছে সেই পরিমান টাকা যেটা একজন সেলার অর্ডার কমপ্লিট হবার পর উপার্জন করেন।
  • Sales Balance হচ্ছে সেই পরিমান Revenue যেটা ক্লিয়ার হয়ে একাউন্টে জমা হয় এবং সেলার চাইলে যেকোন সময় তুলতে অথবা (ফাইভারে) খরচ করতে পারেন। (উল্লেখ্য ফাইভারে অর্ডার কমপ্লিট করার ১৪ দিন পর ডলার Sales Balance এ যোগ হয়। তবে টপ রেটেড সেলারদের ৭ দিন পর যোগ হয়)
  • Shopping Balance হচ্ছে ফাইভার থেকে কেনাকাটা করার মত ক্রেডিট যেটা পূর্বের কোন অর্ডার কেন্সেল হবার ফলে ক্লায়েন্টের একাউন্টে ফিরে এসেছে। এছাড়া ফাইভারের পক্ষ থেকে গিগের মাধ্যমে সার্ভিস কেনার জন্য যে প্রমোশনাল অফার দেয়া হয় তাকেও Shopping Balance বলে।

মুল শর্তসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরনঃ

  • শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড (নিবন্ধিত) বেহারকারীরাই ফাইভারে সেবা আদান প্রদান করতে পারবেন।(রেজিস্ট্রেশন ফ্রি)
  • ফাইভারের গিগ প্রাইস বা সেবার মূল্য ৫ ডলার থেকে শুরু হবে। সেলার চাইলে কোন কোন গিগের Starting Price ৫ ডলারের বেশিও সেট করতে পারবে।
  • যখন একটা গিগ অর্ডার হয় তখন ক্লায়েন্ট ফাইভারকে গিগের সম্পূর্ণ মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করে দেন।
  • গিগ পেইজের “Order Now” বাটন ব্যাবহার করে গিগ অর্ডার করা যায় অথবা ইনবক্সে “Custom offer” পাঠিয়েও অর্ডার করা যায়। (গিগের ফি এবং চার্জ এর ব্যাপারে “purchasing section” এ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে)
  • সেলারকে অবশ্যই সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে কাজ করে জমা দিতে হবে এবং অকারণে নিয়মিত অর্ডার কেন্সেল করা যাবে না। বেশি পরিমানে অর্ডার কেন্সেলেশন সেলারের রেপুটেশন নষ্ট করে এবং গিগের রেঙ্কের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। (তবে মাঝে মধ্যে বাবায় ও সেলার উভয়ের সম্মতিতে অল্প সংখ্যক অর্ডার কেন্সলে হলে সমস্যা নেই)
  • যোগ্যতা, সামর্থ্য ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে একজন সেলার কে বিভিন্ন রেঙ্ক (লেভেল) দেয়া হয়। 
  • একজন সেলার ফাইভারে অর্ডার পাওয়া ছাড়া ক্লায়েন্টের কাছ থেকে অন্য কোনভাবে পেমেন্ট নিতে পারবে না। (এমনকি ক্লায়েন্ট অফার করলেও নেয়া যাবে না)
  • অর্ডার ডেলিভারি দেবার পর সেখানে সম্পূর্ণ কতৃত্ব ক্লায়েন্টের। অর্থাৎ ক্লায়েন্ট কাজ গ্রহন না করলে ফাইভার ক্লায়েন্ট কে কোন ধরনের জোর করবে না।
  • মার্কেটিং ও প্রমোশনের জন্য ডেলিভারি দেয়া সব কাজ বা কাজের স্যাম্পল ফাইভার ব্যাবহার করার অধিকার রাখে। 

SELLERS

  • সেলাররা গিগ বানানোর মাধ্যমে ক্লায়েন্ট কে তার সার্ভিস কেনার অনুমতি দিয়ে থাকেন।
  • বায়ারের সাথে কথা বলার পর সেলার চাইলে ক্লায়েন্টকে ইনবক্সেই সরাসরি “Custom Offer” সেন্ড করতে পারেন।
  • প্রতিটি কাজ সফল ভাবে সম্পন্ন হবার পর অর্ডারের ২০% ফাইভার ফি হিসেবে কেটে রাখে এবং ৮০% সেলারের একাউন্টে জমা হয়। (অর্ডার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা সামনে আসবে ইনশা আল্লাহ্‌!)
  • কোন অর্ডার যদি কোন কারনে কেন্সেল হয়ে যায় তবে সেই অর্ডারের ডলার ক্লায়েন্টের শপিং বেলেন্সে যোগ হবে।
  • কোন অর্ডার কমপ্লিট হবার ১৪ দিন পর সেলার সেই অর্ডার থেকে আয়কৃত রেভিনিউ তুলতে পারবেন। তবে টপ রেটেড সেলাররা ৭ দিন পর তুলতে পারবেন। এই সময়ের মাঝে যদি কোন ক্লায়েন্ট ফিরে এসে কাজ নিয়ে কমপ্লিন করে আর সেটি যথাযথ হয় তবে সম্পূর্ণ ডলার তাকে ফেরত দেয়া হবে। (আসল কথা হচ্ছে ক্লায়েন্ট সাপোর্টে কমপ্লিন করলেই সব ফেরত দিতে হবে)
  • সেলার “AdWords platform” এর মাধ্যমে গিগ প্রমোট বা মার্কেটিং করতে পারবে না। (AdWords platform কি সেটা না বুঝলে গুগলে সার্চ করুন)
  • ফাইভারের রেভিনিউ তোলার জন্য ফাইভার নির্ধারিত যেকোন মেথড ব্যাবহার করা যাবে।
  • প্রতিটা অর্ডার কমপ্লিট হবার পর ক্লায়েন্ট অর্ডার পেজে রিভিউ দিতে পারবে। এবং ক্লায়েন্টের রিভিউর উপর নির্ভর করে সেলারের রেটিং পরিমাপ করা হবে। যে কোন লেভেল (রেঙ্ক) পেতে হলে নির্দিষ্ট পরিমান রেটিং থাকতে হবে। (রেঙ্ক সেকশনে এটা নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হবে)
  • প্রতারণামূলক বা অবৈধ কার্যকলাপ রোধ করতে কখনো কখনো ফাইভার সাময়িকভাবে রেভিনিউ তোলার অপশন ডিজেবল করে দেয়। এটা নিরাপত্তা জনিত কারনে হতে পারে। অর্থাৎ একাউন্টে যদি কোন অস্বাভাবিক কার্যক্রম হয়, যদি বায়ার রিপোর্ট করে অথবা একই পেমেন্ট ডিটেইলস যদি একাধিক একাউন্টে যোগ করা থাকে তবে সেক্ষেত্রে এমনটা হতে পারে।

Gigs®

  • রেঙ্ক বা লেভেলের উপর ভিত্তি করে একজন সেলার নির্দিষ্ট পরিমান একটিভ গিগ পোষ্ট করতে পারবে।
  • একজন নতুন সেলার ৭ টা, লেভেল ১ সেলার ১৫ টা, লেভেল ২ সেলার ২০ টা এবং টপ রেটেড সেলাররা ৩০ টা গিগ তৈরি করতে পারবেন।

নিন্ম বর্ণিত কারনসমুহের যে কোন একটি পাওয়া গেলে ফাইভার  যে কোন সময় গিগ ডিলিট করে দিতে পারবে।

  1. অবৈধ বা প্রতারণাপূর্ণ সেবা প্রদান করা।
  2. Copyright  আঈন লঙ্ঘন, Trademark আঈন লঙ্ঘন, অথবা ফাইভারের “Intellectual Property Claims Policy” অনুযায়ী কোন ৩য় পক্ষের শর্ত ভঙ্গ করে সার্ভিস দেয়া (যেমন WordPress এর প্রিমিয়াম টেমপ্লেট অথবা থিম ক্রেক করে অল্প দামে ফাইভারে সেল করা)
  3. প্রাপ্ত বয়স্কদের কেন্দ্র করে কোন সার্ভিস প্রদান (যেমন পর্ণগ্রাফী)
  4. সরাসরি কারো গিগ কপি করা।
  5. স্পেমিং, আজেবাজে অথবা অযাচিত কোন সেবা প্রদান করা।
  6. এমন গিগ যেটা ক্লায়েন্ট কে বিভ্রান্ত করবে।
  7. কোন পণ্যের রিসেলিং করা। (Affiliate Marketing)
  8. এমন সেবা, যা প্রদান করতে ৩০ দিনের বেশি সময় লাগবে।

উপরে বর্ণিত যেকোন কারনে কোন গিগ ফাইভার কতৃক ডিলেট করা হলে ফাইভার সেই একাউন্ট সাসপেন্ড করার ক্ষমতা রাখেন। (সুতরাং সাবধান)

  • নিয়ম ভঙ্গের ফলে ডিলেট করে দেয়া কোন গিগ পুনরায় ফিরে পাওয়া বা এডিট করা যাবে না।
  • পারফর্মেন্স খারাপ হলে ফাইভারের সার্চ থেকে গিগ উধাউ করে দেয়া হবে।
  • “Gig description” ও “Requirements box”  এ ফাইভার অনুমতি দেয় এমন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ব্যাবহার করা যাবে। এছাড়া অন্য কোন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক থাকলে গিগ একটিভ হবে না। যদি এমন কোন লিঙ্ক প্রফাইলে থাকে তবে সেটা প্রফাইল থেকে মুছে দেয়া হবে। আর ঘাউড়ামী করে বার বার এই কাজ করলে প্রফাইল “Restricted ” করে দেয়া হবে 
  • ফাইভারের শর্তের সাথে সাংঘর্ষিক এমন যে কোন গিগ ফাইভার মুছে দেবে।
  • গিগ পোষ্ট করার সময় গিগে প্রদত্ত সার্ভিষের সাথে মিল রেখে গিগ ইমেজ আপলোড করতে হবে। একজন সেলার প্রতিটা গিগে ২ টা ছবি আপলোড করতে পারবেন।
  • ফাইভারের নিয়ম মেনে গিগে ভিডিও আপলোড করা যাবে। 
  • গিগে এমন কোন বক্তব্য দেয়া যাবে না যা ফাইভারের শর্তসমূহের বিরোধিতা করে।
  • সেলার চাইলে গিগের “Starting Price”  $5, $25, $50 অথবা $100 সেট করতে পারবে।
  • চাইলে বিভিন্ন পেকেজ আকারেও গিগের মূল্য সেট করে দেয়া যাবে।

Gig Extras:

  • Gig Extra হচ্ছে মুল কাজের সাথে সম্পর্কযুক্ত অতিরিক্ত কিছু সেবা যেগুলো গিগের সাথে আলাদা ভাবে একজন সেলার যুক্ত করেন। (এই সেবার জন্য ক্লায়েন্টকে আলাদা চার্জ করা হয়)
  • “Gigs®” সেকশনে যে শর্তগুলো আলোচনা করা হয়েছে সেই শর্তগুলো ভঙ্গে হলে ফাইভার যেকোন Gig Extra মুছে দিতে পারবে। এমনকি এই জন্য ফাইভার চাইলে গিগটাই রিমুভ করে দিতে পারবে।
  • সেলারের লেভেলের উপর ভিত্তি করে গিগ এক্সটার পরিমান কম বেশি হবে। 
  • নতুন সেলারঃ ১ টা গিগে ২ টা গিগ এক্সট্রা এড করতে পারবেন। একটা গিগ এক্সটা  $20 ডলারের বেশি হওয়া যাবে না।
  • লেভেল 1 সেলারঃ ১ টা গিগে ৪ টা গিগ এক্সট্রা এড করতে পারবেন। একটা গিগ এক্সটা  $4০ ডলারের বেশি হওয়া যাবে না।
  • লেভেল 2 সেলারঃ ১ টা গিগে 5 টা গিগ এক্সট্রা এড করতে পারবেন। একটা গিগ এক্সটা  $50 ডলারের বেশি হওয়া যাবে না।
  • “Top Rated” সেলারঃ ১ টা গিগে 6 টা গিগ এক্সট্রা এড করতে পারবেন। একটা গিগ এক্সটা  $100 ডলারের বেশি হওয়া যাবে না।
  • গিগ এক্সটা তে যে সেবা অফার করা হবে তা অবশ্যই মুল গিগের সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে।
  • প্রতিটি গিগ এক্সটা তে আলাদা আলাদা ভাবে বাড়তি সময় যোগ করা যাবে।

আপাতত এ পর্যন্তই। এখানে কিছু বিষয় অতি সাধারন এবং অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। কিন্তু আমরা সবাই জানি নিয়ম কানুনের দিক থেকে ফাইভার কতটা কঠোর এবং কত তুচ্ছ কারনে তারা সেলারের আইডি সাসপেন্ড করে। তাই সবার কাছে অনুরোধ লেখাটা শুধু থেকে শেষ পর্যন্ত ভাল করে পড়বেন।এখানে যা আলোচনা হয়েছে এর মধ্যে কারো কোন কনফিউশন থাকলে কমেন্টে প্রশ্ন করুন। কোন তথ্য ভুল মনে হলে সেটাও জানাতে পারেন। সংশোধন করে দেবো ইনশা আল্লাহ্‌!এই পরিমান লেখলে আরো ৫-৬ পর্বে শেষ করতে পারবো আশা করা যায়। সে পর্যন্ত ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, আর হালাল উপায়ে উপার্জন করুন এই দোয়া রইলো।

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফাইভারে কীভাবে দ্রুত অর্ডার পাওয়া যায় ?

প্রত্যেকটি বায়ার চাই, তার কাজটি দক্ষ ওয়ার্কার দিয়ে করাতে। এজন্য যারা ফাইবারে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেন তাদের জন্য অর্ডার পাওয়া খুব দুষ্কর হয়ে পড়ে। অনেকেই মনে করেন, ফাইবারে প্রথম অর্ডার পাওয়ার থেকে সাত সমুদ্র তেরো নদী পাড়ি দিয়ে রাজকন্যাকে💃 উঠিয়ে আনা আরও সহজ। এসব কথা ভেবে চুল টানতে টানতে অনেকের মাথার মাথার ছাদ👨‍🦲 এখন প্রায় ফাঁকা।অনেকেই ৩-৪ মাস কাজ করেও একটি অর্ডার আনতে পারেননি। কিন্তু তার মানে কি আপনার হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত?🤔এরকম ভাবা একদমই বোকামি ছাড়া কিছুইনা।এখন কাজের কথায় আসা যাক।

আপনি ভাবছেন যে কীভাবে ফাইবারে ভালো অর্ডার পাওয়া যাবে???

আসুন এখন ফাইবারে ভালো অর্ডার না পাওয়ার পিছনের কয়েকটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা যাক, যেসব বিষয় গুলো একজন সেলারের অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত:১। ফাইবার প্রোফাইল পিকচার:

অনেক সময় আমরা এমন ধরনের প্রোফাইল পিকচার ইউজ করি যা দেখে বায়ারকে পাঁচ মিনিট ধরে ভাবতে হয় এই ফাইবার একাউন্টের মালিক মানুষ নাকি জড় পদার্থ।🧐 উল্টা হয়ে, চিৎ হয়ে, ভুট হয়ে, মুখ ঘুরিয়ে বেঁকিয়ে ভেটকি দিয়ে এমনভাবে ছবি দেই যা দেখ বায়ার নিজেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন।😇🙃 আবার অনেকেই আম, জাম, কাঁঠাল, কলা, লিচু এর ছবি দিয়ে রাখেন। আপনি যদি ফাইবার থেকে কাজ পেতে চান তাহলে আপনার এমন একটি প্রোফাইল পিকচার দরকার যা বায়ার কাছে বিশ্বাস যোগ্য বলে মনে হবে। ছবিটি অবশ্যই পরিষ্কার এবং হাসিমুখের থাকতে হবে।২। আপনার প্রোফাইল ডিসক্রিপশন:

আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই করেন আপনার প্রোফাইল ডিসক্রিপশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বায়ার বেশিরভাগ সময় এটি পরীক্ষা করে দেখবে – যদি তাদের দৃঢ় বিশ্বাসের প্রয়োজন হয়। এই ডিসক্রিপশন এ আপনার সম্পর্কে এবং কি ধরনের কাজ করেন এটির সংক্ষিপ্ত এবং গোছালো বিবরণ দিবেন এবং আপনি কতটা বন্ধুসুলভ তা ডিসক্রিপশন এ উল্লেখ করবেন।৩। গিগ ইমেজ:

গিগ ইমেজ সুন্দর না হওয়ার কারণে বেশিরভাগ সময়ই অর্ডার পাওয়া যায় না। বায়ার আপনার গিগ একটু ঘাটাঘাটি করে বের হয়ে আপনার পাশের বাসার ফ্রিল্যান্সার ভাইকে অর্ডার দিয়ে আসেন। এ সব দেখে আপনার হাই হতাশ😑 করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকেনা। এ জন্য গিগ ইমেজ গুলি অবশ্যই আই-ক্যাচিং এবং অ্যটাক্টটিভ হতে হবে। কারণ অনেক সময় বায়ার গিগ ইমেজ দেখেই গিগ ওপেন করেন। এবং গিগ ইমেজ দেখে যাতে বায়ার সহজে বুঝতে পারে আপনি কোন ধরনের সার্ভিস প্রোভাইড করবেন।৪। চমৎকার গিগ বিবরণ:

আপনি যাই করুন না কেন, আপনার গিগের বর্ণনা নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ করার চেষ্টা করুন। প্রথম দুই লাইনে এমন কিছু লিখুন যা দেখে বায়ার বুঝতে পারে আপনার কাজের কোয়ালিটি কেমন এবং আপনি বায়ারকে কেমন কাজ প্রোভাইড করবেন। গিগ এর ভিতরে আপনার চৌদ্দগোষ্ঠীর👨‍👩‍👧‍👦 কথা লেখার দরকার নাই, দরকারি কথা গুলো লিখুন, সাজিয়ে লিখুন।যাইহোক, একটি আকর্ষণীয় গিগ বিবরণ তৈরির সর্বোত্তম উপায় হ’ল ফাইভারের সেরা সেলারদের অনুসরণ করা। আপনি কী করবেন তা সুনির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা করুন এবং কোনো ভাবেই অস্পষ্ট বা অবিশ্বাসযোগ্য না করার চেষ্টা করুন।

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

মোবাইলে কোনো ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা যায় ?

🔸 ফ্রিল্যান্সিং মানুষ মূলত কি নিয়ে করে? বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৫ লক্ষের অধিক মানুষ ফ্রিল্যান্সিং এর সাথে জড়িত রয়েছে যার সবচেয়ে বড় অংশই কাজ করেন গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, কন্টেন্ট রাইটিং, এসইও এবং ডাটা এন্ট্রি নিয়ে। এছাড়া অনেকে আছেন এপস ডেভেলপমেন্ট সহ অন্যান্য কিছু কাজ করেন। তবে যে সকল কাজ মানুষের বিভিন্ন ব্যবসা-বানিজ্য, দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রয়োজন তার অধিকাংশ কাজ নিয়েই ফ্রিল্যান্সিং করা যায়।

🔸 এখন একটু ভেবে দেখুন তো, আপনি ডাটা এন্ট্রি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবেন। আপনি কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ার পয়েন্ট এর কাজ ঠিকভাবে, প্রফেশনালি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন? মোবাইলে এই এপস গুলো আছে, কিন্তু সেটা কি প্রফেশনালি ব্যবহার করা যায়? আপনার ক্লায়েন্ট এর ডাটা প্রেজেন্টেশনের জন্য গ্রাফ বা চার্ট লাগবে, সেটা কি আপনি মোবাইল দিয়ে সুন্দরভাবে প্রজেন্ট করতে পারবেন? যদি প্র্যাক্টিকালি করে আপনি দেখাতে পারেন, তাহলে নিশ্চিত হতে পারেন যে আপনি মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতে পারবেন !! তবে এটা সম্ভব না।

🔸 এবার একটু ভেবে দেখুন তো, আপনি গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবেন। ফ্রিল্যান্সিং এর যারা ক্লায়েন্ট, মানে যারা আপনাকে কাজ দিবে, তারা ফাইল ডেলিভারি নিবে AI/PS/EPS ফরমেট এ। এর কোনোটাই আপনি মোবাইল এপস দিয়ে দিতে পারবেন না। কাজ তো দূরের কথা !!

🔸 ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করবেন মোবাইলে !!! সম্ভব না। কোডিং করবেন কিভাবে? মোবাইলে কোড করে কম্পিউটারের জন্য ওয়েবসাইট বানানো স্বপ্নে ভাবাও পাপ।

🔸 এসইও করবেন মোবাইলে !! সম্ভব না। কারন এলগরিদম এর কাজ করবেন কিভাবে?

🔸 এন্ড্রেয়েড বা আইওএস এপ বানাবে মোবাইল দিয়ে? এটাও সম্ভব না। কারন এর জন্য যে সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করা হয়, তা সম্পূর্ণ কম্পিউটারের জন্য বানানো। মোবাইলে কাজ করবে না।

🔸 ভিডিও এডিটিং, আফটার ইফেক্টস এই ধরনের যে হাই ডিমান্ড কাজগুলো আছে, এগুলোও আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন না।

এতোক্ষন তো শুনলেন কি পারবেন না। আসুন এবার শুনি কি পারলেও পারতে পারেন।

🔹 কন্টেন্ট রাইটিং এর কিছু কাজ আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন। যদি সেটা শুধু লিখার কাজই হয়। মোবাইলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর এপস নামিয়ে লিখতে পারেন, নোটসে লিখে তা ক্লায়েন্টকে দিতে পারেন। তবে খুব বড় পরিসরে কাজ করতে পারবেন না।

🔹 স্যোশাল মিডিয়ার অল্প কিছু কাজ যেমন হ্যাশট্যাগ রিসার্চ, স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট এর কাজ মোবাইলে করতে পারবেন। তবে এইসব কাজের বাজেট এবং ভলিওম খুবই সীমিত।

মোদ্দা কথা হলো, ফ্রিল্যান্সিং কোনো ছেলেখেলা করার সেক্টর না। বিষয়টা এমন না যে গরম পানিতে লেবু আর চিনি গুলিয়ে নিলাম, আর শরবত হয়ে গেলো। সম্পূর্ণ প্রফেশনাল একটি সেক্টর। তাই এই সেক্টরে আসতে হলে সেভাবেই তৈরি হয়ে আসতে হবে।

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফ্রিলেন্সিং কি?

আজকের আর্টিকেল টা শুধু মাত্র নতুনদের জন্যে আর যদি আপনি অলরেডি একজন সফল ফ্রিলেন্সার হয়ে থাকেন তবে পোষ্ট টাকে Avoid করার চেষ্টা করুন। কারন আপনার শিখার মতো কিছুই এখানে নেই।  আর যদি বিশেষ কোনো ব্যাক্তির চোখে কোনে বানানে কোনো ভুল থেকে থাকে তবে তা ক্ষমার চোখে দেখবেন। *****আমরা অনেকেই যখন নতুন অবস্থায় এই ফ্রিলেন্সিং শব্দ টার সাথে পরিচিত হয় তখন আমাদের মধ্যে অনেক প্রশ্ন জাগে জিনিষটা কি?  এটা দিয়ে কি করে।?  এইটা করে আদও কি টাকা ইনকাম করা সম্ভব?  এই যে যখন ই আমাদের মধ্যে টাকা ইনকাম করার একটা চিন্তা চলে আসলো তখনই কিন্তু আমরা এই ফ্রিলেন্সিং এর দিকে ঝুকে পরি। আর অবশেষে এই টাকা টাকা টাকা করতে করতে আমাদের আর কাজ শিখাটা হয়ে উঠেনা। অবশেষে আমাদের সফলতার ঘড়টা শূন্য কুঠাতেই রয়ে যায়। তাই আমাদের প্রথমেই উচিৎ এই বিষয়টাকে ভালো ভাবে অনুধাবন করা। এর পর আমাদের এখানে সময় ব্যয় করা। যেন আজকের পরিশ্রম টা আগামী দিনের জন্যে সুখের কারন হয়।*****

১। ***প্রথম  প্রশ্নঃ*** ফ্রিলেন্সিং কী??? —–

অনলাইলে এই প্রশ্নের অনেক উত্তর আছে কিন্তু আমি যদি আমার সংজ্ঞাই বলি, তবে ফ্রিলেন্সিং হলো এমন একটি পেশা যেখানে আপনার নির্দিষ্ট এক বা একাদিক কাজের অবিজ্ঞতা থাকে এবং আপনি যেকোনো জায়গাই বসে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক এর বিনিময়ে দেশ ও বিদেশের কাজ করে দিতে পারেন।

২। ফ্রিলেন্সিং ও আউটসোর্সিং এর মধ্যে পার্থক্য কি???—–

এই দুইটা বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা। সহজ কথায় ফ্রিলেন্সিং হলো যারা টাকার জন্যে কাজ করে দেয় বা ফ্রিলেন্সার। এবং আউটসোর্সিং হলো যারা টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় অর্থাৎ বায়ার বা ক্লায়েন্ট।

৩। ফ্রিলেন্সিং কেন করবো???—–  

আপনি যদি একজন স্বাধীন চেতা মনের মানুষ হয়ে থাকেন এবং নিজে কিছু করতে চান, নিজের ক্যারিয়ার ডেভেলপ করতে চান তবেই ফ্রিলেন্সিং আপনার জন্যে। আপনার ইচ্ছে হলো আপনি করবেন না হলে করবেন না। এখানে সম্পুর্ন স্বাধীনতা রয়েছে আপনার।

৪। এর জন্যে কি কি লাগবে???—–

এর জন্যে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু কাজে দক্ষ ও প্রফেশনাল হতে হবে। সেটা হতে পারে Web design, Web development, Graphic design, Animation design, Video editing, Seo, Digital marketing, Ui/Ux design, Javascript Developer, Python matchine learning, WordPress theme Development etc etc.  আপনার বাসায় ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। থাকতে হবে একটা লেপটপ অথবা ডেস্কটপ।

৫। ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ কিনবো???—–

যদি এমন হয় যে আপনি প্রতিনিয়ত এখান থেকে ওখানে যান অথবা আপনার বাসায় ইলেকট্রিসিটি সমস্যা থাকে অথবা আপনি একটা হালকা পাতলা ডিভাইস চান সেক্ষেত্রে আপনার জন্যে ল্যাপটপ বেষ্ট। অন্যথায় আপনি ডেস্কটপ কিনতে পারেন।

৬। কনফিগারেশন কি হতে হবে???—–

যদি আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখতে চান তবে সর্বনিম্ন Core i 3 and 4 gb ram হতে পারে।  তবে সর্বোচ্চ Core i 5 and 8 gb ram is enough.

৭। কেমন টাকা লাগতে পারে ডিভাইস এর জন্যে???—–

যদি আপনি ল্যাপটপ কিনতে চান তবে ৪০-৫০ হাজার যথেষ্ঠ। আর যদি ডেস্কটপ নিতে চান সেক্ষেত্রে ২৫-৩৫ হাজার ই যথেষ্ঠ। অথবা ল্যাপটপ নিতে চাইলে আপনি ভালো একটা পুরনো ল্যাপটপ নিতে পারেন সেক্ষেত্রে টাকা একটু কম লাগবে।

৮। কত দিন সময় লাগবে কাজ শিখতে???—–

যদি কোনো ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখতে পারেন তবে ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যেই আপনি ওয়েব ডিজাইন অথবা ডেভেলপমেন্ট শিখে নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হতে পারে। ২৫ হাজার থেকে ৩৫ হাজার।  আর অন্যথায় আপনি  You Tube এ কয়েকটা চ্যানেল থেকে শিখার চেষ্টা করতে পারেন। এক্ষেত্রে সময় টা নির্বর করবে আপনার উপরে আপনি কতদিনে শিখতে পারবেন। যদি আপনি সম্পূর্ণ নতুন হয়ে থাকেন তবে Web House চ্যানেল টা Subscribe করে দেখতে পারেন ওয়েব ডিজাইন এর সব কিছুই শিখতে পারবেন। এখানে পার্ট বায় পার্ট ভিডিও দেওয়া হচ্ছে।  যদিও নতুন কিন্তু নতুন থেকে যদি ভালো কিছু হয় তাহলেতো নতুন ই ভালো।

৯। দিনে কতক্ষন প্র্যাকটিস করতে হবে???—–

যদি আপনি SSC থেকে  HSC এর ছাত্র হয়ে থাকেন, তবে ২.৫- ৩.৫ ঘন্টা আপনার জন্যে যথেষ্ঠ। যেন আপনার পড়াশোনার কোনো ক্ষতি না হয়।  আর যদি অনার্স থেকে মাস্টার্স এ থেকে থাকেন তবে ৪-৬ ঘন্টা আপনাকে সময় দিতেই হবে। যত বেশি সময় দিতে পারবেন তত তাড়াতাড়ি শিখতে পারবেন।

১০। কাজ শিখে ইনকাম করতে পারবো তো???—–

যদি আপনি সময় নিয়ে কাজ শিখতে পারেন এবং একজন প্রফেশনাল মানের ডিজাইনার বা ডেভেলপার হতে পারেন তবে কাজ নিয়ে কোনো চিন্তায় করতে হবেনা। তবে একটা কাজ শিখেই বসে থাকতে পারবেন না।  সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়তই আপনাকে নতুন  নতুন  কিছু শিখে যেতেই হবে।

১১। ***সর্বশেষ প্রশ্ন*** কোন কাজ আমার জন্যে ভালো হবে???—– 

বর্তমানে সব থেকে বেশি প্রচলিত হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট আর গ্রাফিক্স ডিজাইন। আর ডেভেলপমেন্ট এর আওতায় রয়েছে Javascript,  Python, and WordPress theme Development. etc যদি আপনার মধ্যে সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা খুব ভালো থেকে থাকে আপনি আর্ট করতে খুব ভালো বাসেন তবেই গ্রাফিক্স ডিজাইন আপনার জন্যে বেষ্ট। অন্যদিকে যদি আপনি চান কী-বোর্ড এর উপরে ঝড় তুলবেন অনেক ভালো টাইপিং করবেন একজন প্রোগ্রামার হবেন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখবেন তবে আপনার জন্যে ওয়েব প্লাটফর্ম বেষ্ট। এখন আপনি কোনটা বেশি ভালো পারবেন সেটাতো আপনিই ভালো বুঝেন।

*****সর্বশেষ আপনাদের কে যেটা বলবো আগেই টাকার চিন্তা না করে কোনো একটা কাজের উপর সময় দিন আগে নিজেকে দক্ষ ও প্রফেশনাল করে গড়ে তুলুন।  এর পর দেখবেন টাকাই আপনার চিন্তা করবে আপনাকে টাকার চিন্তা করতে হবেনা*****

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফাইভার গিগ কি?

যথাযথ ভাবে ফাইভারের নিয়ম মেনে আপনার কাজের বর্ণনা  দিয়ে পোস্ট আকারে লিখে রাখাকে গিগ বলে। আপনি যে কাজ পারেন সেই কাজের বর্ণনা  লিখলেন। উদাহরণ স্বরূপ আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার। আপনি লগো ডিজাইন পারেন। তাহলে আপনি লগো ডিজাইন নিয়ে কিছু কথা লিখলেন এবং আপনি কেমন ডিজাইন পারেন তার বর্ণনা  দিলেন নিজের কাজ সম্পকে ভাল ভাল  যা আপনার বেলায় সত্য সেগুলো লিখে রাখলেন। মোট কথা একজন কাজ দাতা বা বায়ার কেন আপনাকে কাজ দিবে তার প্রয়োজনীয়তা আপনি আপনার বর্ণনা  খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করলেন। অনেকটা নিজের ঢোল নিজে পেটানোর মত। আর যদি আপনি এখানে আগে কাজ করে থাকেন তার কথা লিখলেন তবে নতুন অবস্থায়তো আগের কাজের বর্ণনা তো  দেয়া সম্ভব নয় । 

 তাই আপনা যতটুকু কাজ জানেন তার বর্ণনা  দেয়াই শ্রেয়। এখানে আপনার জানা কাজ যেগুলো আপনি ডিজাইন করেছে তা আপলোড দেয়ার অপশনে দিয়ে দিতে হবে। আপনির গিগটি যদি হয় লগো ডিজাইন নিয়ে তাহলে আপনার ডিজাইনকৃত লগো সংযুক্ত করতে পারবেন। যা বায়ার দেখে আপনার কাজ বর্ণনা  সম্পর্কের ভাল ধারণা পায়া সেরকম ইউনিক ডিজাইন দিতে পারেন। নতুন অবস্থা একজন ফ্রিল্যান্সার বা সেলার (ফাইভারে ফ্রিল্যান্সারদের সেলার বলে থাকে) ৭টি গিগ তৈরি করতে পারবে। সাত রকমের কাজের বর্ণনা দিয়ে ৭টি গিগ তৈরি করতে পারবেন। পুরাতনরা ২১টি গিগ পর্যন্ত  তৈরি করতে পারে। আপনি কতগুলো কাজ  ভালভাবে সম্পন্ন করেছেন তার উপর লেভেল দেয়া হয়ে থাকে।অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে যেমন আপনাকে কাজের জন্য বিড করতে হয় এবং যথেষ্ট প্রতিযোগিতা করতে হয়।।

প্রতিবার কভার লেটার লেখতে হয়। প্রয়োজনীয় ফাইল আপলোড দিতে হয়। তারপর ক্লায়েন্টের ইন্টাভিউর জন্য বসে থাকতে হয়। ফাইবারে তেমনটা নেই। এখানে বায়ার আপনার গিগ ডিসক্রিপশন পড়ে তার যদি আপনার গিগ বা সারভিসটি পছন্দ হয় তাহলে সে অর্ডার করবে বা কিনবে। সেখানে সে তার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী ম্যাসেজ দিবে সেই অনুযায়ী আপনাকে বায়ারের কাজটি করে দিতে হবে। তবে বায়ার আপনার গিগের বাইরে কাজ চাইবে না। 

আপনি গিগে আপনার কাজে যে পরিধি উল্লেখ করবেন বায়ার তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় যে- আপনি ৫ ডলারে একটি লগো ডিজাইন করে দিবেন, সেখানে বায়ার বা ক্লায়েন্ট আপনাকে ২টি লগো চাইতে পারবে না। যদি চায় সেটি আপনি অতিরিক্ত টাকা বা ডলার চার্জ  করতে পারবেন। সেটিকে বলে কাস্টম অর্ডার । কাস্টম অর্ডারের মাধ্যমে আপনি ৫ ডলারের একটি কাজকে প্রয়োজন মত বাড়িয়ে নিতে পারবেন বায়ারের সাথে কথোপকথনের মাধ্যেমে।প্রথমে ফাইবার মার্কেট প্লেস সম্পর্কে ভাল ভাবে ধারণা নিতে হবে। তাদের নীতিমালা পড়ে ভালভাবে বুঝে কাজ করলে তেমন অসুবিধা হয় না। নিয়মঅনুযায়ী একজন ব্যক্তি একটি একাউন্ট তৈরি করতে পারবে। এবং সবসময় উক্ত একাউন্ট একটি ল্যাপটপ থেকে লগিন করতে হবে। 

একাধিক কম্পিউটার থেকে একটি একাউন্ট চালানো যাবে যদি ঐ ডিভাইসগুলো থেকে আর কোন একাউন্ট তৈরি করা না হয়ে থাকে। মোটকথা একটি একাউন্ট এক বা একাধিক কম্পিউটার থেকে লগিন করা যাবে তবে এক কম্পিউটার থেকে একাধিক একাউন্ট লগিন করা যাবে না। এটি ফাইভারসহ সকল ফ্রিল্যান্সিং সাইটগলোর নিয়ম। কোন রকম ডুপ্লিকেসি বা স্প্যামিং করলে একাউন্ট সাময়িক থেকে চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। যেকোন ফ্রিল্যান্সিং সাইট বা জব মারকেট সম্পর্কে ভালাবে জানুন তার পর প্রোপাইল তৈরি করুন এবং কাজ করুন।

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

কিভাবে আমার ফাইবার আইডি সেফ করবো?

মাঝে মাঝেই দেখি আইডি ডিজেবল বা সাস্পেন্ড এর পোষ্ট দিয়ে অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেন।১২ টি টিপস আমার ফাইবার লাইফের অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করলাম। আশা করি আপনারা মেনে চলতে পারলে আপনাদের ফাইবার আইডি টি সেফ রাখতে পারবেন।

১। একিই ডিভাইসে বা আইপিতে লাইক কম্পিউটারে ও একিই ওয়াইফাই এ বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ইন্টার্নেটে একাধিক ফাইবার আইডি চালানো যাবেনা। কোনো নটিফিকেশিন ছাড়াই ব্যান খাবেন। তবে সার্ভিস আলাদা আলাদা হলে চালানো যেতে পারে।

২। ফাইবারের গিগের জন্য ইমেজ বা কন্টেন নিজের হতে হবে কপি যেন না হয়।

৩। ভুলেও নিজের কন্টাক্ট ইনফরমেশন লাইক ইমেইল, মোবাইল, লিঙ্ক দেওয়া যাবেনা ।

৪। ক্লাইন্টের সাথে সর্বদা ভালো আচরন করতে হবে। ক্লাইন্ট যতই খারাপ ব্যবহার করুক না কেন সেগুও এড়িয়ে চলার চেষ্টার করতে হবে।প্রতিবেশী দেশের কিছু ক্লাইন্টকে বুদ্ধির সাথে এড়িয়ে যেতে হবে।

৫। ডিটেইলস না বুঝে ক্লাইন্টের থেকে অর্ডার নেওয়া যাবেনা, আর অর্ডারের দিটেইলস না বুঝে অর্ডার ডেলিভারি দেওয়া যাবেনা,

৬। ভুলেও ব্লাংক ডেলিভারি দেওয়া যাবেনা, আমার অনেকেই ইচ্ছে করে ব্লাঙ্ক ডেলিভারি দিয়ে থাকি,

৭। ক্লাইন্টকে কপিরাইট কোনো কাজ দেওয়া যাবেনা, দিলেও ক্লাইন্ট কে জানাই দিতে হবে।

৮।ক্লাইন্টের কাছে ফিডব্যাক চাওয়া যাবেনা।ভিডব্যাক যদি খারাপ দেই তবে ফিডব্যাক পরিবর্তন করার জন্য বারবার বলা বা চাপ সৃষ্টি করা যাবেনা, ফিডব্যাক খারাপ দিয়েছে বলে ফাইনাল ফাইল দিতে অস্বীকার করা যাবেনা।

৯। ফাইবারের বাইরে কাজ করার জন্য বা পেমেন্ট দেওয়ার জন্য ক্লাইন্টকে রিকুয়েস্ট করা বা পরামর্শ দেওয়া।

১০। একিই পেওনিয়ার বা পেপাল একাধিক ফাইবার আইডিতে ব্যবহার করা।

১১। কাছাকাছি এলাকায় কোনো ফাইবার আইডিতে অর্ডার দেওয়া বা নেওয়া, ফিডব্যাক এক্সচেঞ্জ করা বা এ সম্পর্কে অন্য কোনো সেলার কে মেসেজ করা।

১২। বার বার কোনো সেলার বা বায়ার কে কাজ দেওয়ার জন্য রিকুয়েস্ট করা।যথা সম্ভব অর্ডার ক্যান্সিলেশন এড়িয়ে চলা।আরো কিছু টিপস বাকি আছে বলে মনে হচ্ছে। আপনাদের জানা আরো কিছু টিপস থাকলে শেয়ার করবেন প্লিজ।

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফাইবারে গিগ তৈরি করার জন্য যে কাজগুলো আগে করতে হবে ?

আজ আমরা জানব Fiverr এর গিগ তৈরী করার পূর্বে যে বিষয়গুলো Research করা অবশ্যই উচিৎ।

(1) Keyword

(2) Niche

(3) Narrow Down

(4) SFEK-Strategy for Finding Expected Keywordগিগ তৈরী করার আগে আমাদের অবশ্যই একটি  Keyword সিলেক্ট করতে হয়। আর যার Keyword যত ভাল তার ক্ষেত্রে অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে অনেকটাই। (যদিও আরও অনেক কিছুর উপরই নির্ভর করে অর্ডার আসা না আসা) এই Keyword টি কিন্তু আবার কিছু Criteria সম্বলিত হতে হবে। যেমনঃ(1) Popular keyword হতে হবে।(2) Big Search Value keyword হতে হবে।(3) Low Antagonist Keyword হতে হবে।(4) Market demanded keyword হতে হবে।(5) Trending keyword হতে হবে।(6) Customer Pain point বুঝতে হবে।তাহলে চলুন আমরা সিলেক্ট করে আসি আমাদের কাঙ্খিত Keyword টি।

তার পূর্বে বলে রাখা ভাল যারা এখনও জানেন না ফাইভার কি? গিগ কি? এসব তাদের জন্য নয়। আপনারা আগে কাজ শিখুন, বুঝুন জানুন। তারপর শুরু করুন। নইলে আপনারাই ঠকবেন। কাজের উপর দক্ষ হয়ে গড়ে না উঠলে কখনই মার্কেটপ্লেস এর দিকে দৌড়ানো ঠিক হবে না আপনার।

Keyword জিনিসটা কি আমরা সকলেই জানি অলরেডী। খুব সহজ করে যদি বলি তাহলে যে টেক্সট দিয়ে আমরা সার্চ করে থাকি স্বাভাবিকভাবে সেটাই আমাদের কী-ওয়ার্ড (Fiverr এর ক্ষেত্রে উল্লেখ্য) । এখন Fiverr এর ক্ষেত্রে আমরা যদি সার্চ করি  Logo Design দিয়ে তাহলে আমরা দেখতে পাব হাজার হাজার গিগ চলে আসছে। এখন এই Logo Design Keyword কে আর একটু Research করা যেতে পারে। যেমন ধরুন: কত ধরনের লোগো ডিজাইন হতে পারে, কোন কোন ক্লায়েন্টদের লোগো প্রয়োজন হয় বেশি ইত্যাদি। কারন লোগো ডিজাইন একটি জেনেরিক কী-ওয়ার্ড। এর সার্চ ভলিউম ও অনেক বেশী তাই  Competitor/Antagonist ও অনেক বেশী। এজন্য Niche সিলেক্টশনটা অনেক বড় একটি ইফেক্ট ফেলবে আপনার গিগের উপর।

এখন আসুন আমরা কিছুক্ষন জানি Niche কি?

Niche বলতে সহজ কথায় থথাযথ স্থান বোঝানো হয়। আমাদের বোঝার সুবিধার্থে একে ক্যাটগরীও বলতে পারি। আপনি আপনার Service টি যতটা Narrow Down করতে পারবেন তত আপনার Competitor/Antagonist কমতে থাকবে।

Narrow Down বলতে উদাহরন হিসাবে যদি বলি,

ধরুন আপনি একজন টি-শার্ট ডিজাইনার। এখন আপনার এই ডিজাইনের ক্ষেত্রে Tshirt হলো একটি কী-ওয়ার্ড। এখন Fiverr এ যদি সার্চ করি Tshirt Design লিখে তাহলে আনুমানিক ৪৫০০ এর মত গিগ চলে আসবে। এখন আপনি যদি চান, শুধু T-shirt Design লিখে সবাই আপনার গিগটি সার্চ করুক তাহলে এই ৪৫০০ গিগ এর মধ্যে আপনার গিগটি কোথায় অবস্থান করবে?

অবশ্যই আপনার টার্গেট থাকবে টপ পেজে থাকা। কিন্তু আপনি যদি আর একটু আপনার Keyword কে Narrow down করেন, তাহলে হতে পারে এটি Fishing Tshirt Design. এখন আপনি এই Fishing Tshirt Design লিখে সার্চ দেন। দেখবেন ৪৫০০ থেকে প্রায় এক ধাক্কায় সার্চ রেজাল্ট নেমে এসেছে আনুমানিক ৩০০-৪০০ এর মধ্যে। আপনি আরও Narrow down করতে পারেন। Fishing Men Tshirt Design, Fishing Women Tshirt Design, Fishing Mascot Tshirt Design ইত্যাদি। কারন একটি বিষয় নিশ্চয়ই খেয়াল করে দেখেছেন আমরা নিজেরাই কিন্তু মাছ কিনতে মাছের বাজারে যাই। সেখানে গিয়ে মাছ বিক্রেতার কাছে গিয়ে মাছ কিনি। মুরগীর বাজারে যাই না মাছ কেনার জন্য কখনই। বায়ারও সেটাই খুঁজবে যেখানে স্পেসিফিকভাবে সেই সার্ভিসটাই দেওয়া হয়।

চলুন আর একটু সহজ করে বুঝি আমরা। পুরোনো একটি ফোন কিনব আমরা। এজন্য বিক্রয় ডট কম এ প্রবেশ করি। তারপর সাধারনত যেটা করি ইলেকট্রনিক্স/ডিভাইস এ ধরনের ক্যাটগরী ধরে সার্চ দেই।আরও সহজ করে খুঁজে পওয়ার জন্য এবং আমাদের সুবিধার জন্য আমরা নিজ জেলা নির্বাচন করেও সার্চ দেই সাধারনত। কারন প্রোডাক্টটি আমরা যেন খুব সহজেই খুঁজে পাই এজন্য। এটিকেই বলে সঠিক Niche নির্বাচন এবং Narrow Down করে সার্চ করা।

অনেকটাই চেষ্টা করলাম বুঝানোর জন্য Fiverr এর গিগ এর ক্ষেত্রে Keyword টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আশা করি নতুনরা সবাই বুঝতে পেরেছেন। এর পরেও কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাবেন আশা করি। অনেক অভিজ্ঞরা আছেন এখানে। সবাই আপনাদের অবশ্যই সাহায্য করবে উদার মন নিয়েই ইনশাল্লাহ। আগামী লেখাতে আমরা আরও বিষয় জানব।

Categories
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফ্রিল্যান্সিং যেমন শুনা যায় আসলে বিজনেসটা তেমন সহজ না।

যেমন শুনা যায় আসলে বিজনেসটা তেমন সহজ না।ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলেই হাজার হাজার ডলার, ক্লাস শুরু করার দ্বিতীয় সপ্তাহেই ২০ ডলার ইনকাম করল আদম আলী – এইসব একদম জালিয়াতি কথা। এগুলা যারা বলে তাদের থেকে দূরে থাকুন। এরাই চিটার।ফ্রিল্যান্সিং বলতে বুঝাবে আপনি আপনার স্কিল সারা বিশ্বে যে কারো কাছে সেল করেন। কারো অধীনে চাকরি করেন না। এটি একটা বিজনেস।ফ্রিল্যান্সিং শিখায়?

ফ্রিল্যান্সিং কেউ কাউকে তেমন একটা শিখাতে পারে না। শিখাতে পারে টেকনিক্যাল স্কিল। তাও একজন ভাল টিচার ৩-৬ মাস যে সময় দিয়ে শিখায় তাঁর চেয়ে ১০০ গুণ বেশি সময় আপনাকে নিজে নিজে শিখতে হবে। ধরে নিতে হবে টিচার শুধু হাতে খড়ি দিয়ে কাজটা ধরিয়ে দিতে পারেন। এরপর আপনাকে অনলাইন রিসোর্স থেকে (ওয়েব সাইট/ ভিডিও) থেকে শিখতে হয়। শিখার জন্য অনলাইনে প্রচুর রিসোর্স আছে । কতক ফ্রি, কতক পেইড।

আপনি একটা স্কিলে দক্ষতা অর্জন করলেন। এই স্কিলের সার্ভিস অনলাইনে সেল করবেন বা লোকাল ক্লায়েন্টের কাছে সেল করবে- এই বিজনেসটা হল ফ্রিল্যান্সিং। এটি দুই চার ছয় মাসে কেউ শিখাতে পারে না। কেউ শিখায় না। শিখায় টেকনিক্যাল স্কিল।

আজকে থেকে আর বলবেন না যে, আমি ফ্রিল্যান্সিং শিখব বা কোন টিচার বলতে পারে না আমি ফ্রিল্যান্সিং শিখাই।কম্পিউটার শিক্ষা জরুরি কিনাঃ

সিএসই অধ্যয়ন করছেন বা পাশ করেছেন তাদেরকেও প্রচুর পরিমাণ শিখতে হয়। কারন খুব কম ছেলেমেয়ে আছেন যারা সিএসই পাশের সময় পর্যন্ত ২-৩ টা ক্যাটাগরি বা একটা ক্যাটাগরিতে দক্ষ হয়। ইনাদেরকে চাকরি পাবার পরে বিশেষ স্কিলে বিপুল পরিমাণ পড়াশুনা করতে হয় এবং শিখতে হয়। তবে সিএসই করা ব্যক্তি যা শিখতে পারেন সাধারণ মানুষ সেই সব স্কিল শিখতে পারেন না। লাখে একজন থাকতে পারেন।আরেকটা বিষয় হচ্ছে- যে কোন টেকনিক্যাল স্কিল দিনে দিনে আপডেট হয়। এইজন্য অনবরত শিখতে হয়, নিজেকে আপডেট রাখতে হয়।ফ্রিল্যান্সারদের কতজন কম্পিউটার শিক্ষিত?

কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়াশুনা না করেও ফ্রিল্যান্সিং করা যায় । আমার ব্যক্তিগত ধারণা, ৯৫% ফ্রিল্যান্সার কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়েন নাই। আমি নিজে ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স মাস্টার্স করে মাইক্রোসফট প্রোগামিং শিখেছি ২০০৩-০৪ সালে। সেই থেকে দেশে এবং বিদেশে কাজ করছি। ২০১৫ থেকে ফ্রিল্যান্সিং করছি। সোনালী ব্যাংকের এসপিও/ম্যানেজার থাকা কালে শুরু করেছিলাম।অন্যান্য যোগ্যতাঃ

টেকনিক্যাল স্কিল ছাড়াও আরও দুইটা স্কিল লাগে

(১) ইংরেজী বলা এবং লেখার উপর ভাল দখল এবং

(২) ফ্রিল্যান্সিং বিজনেস করার জন্য ব্যবসায়িক জ্ঞান বুদ্ধি।

যার এই তিনটি একসাথে আছে এবং প্রচণ্ড ইচ্ছা আছে এমন লোকেরাই সফল হয়। বাকি শত শত লোক আসে আর যায়।অনলাইন মার্কেটঃ

যে কোন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রচুর নিয়ম কানুন আছে। স্কিল শেখার সাথে সাথে এই সম্পর্কে পড়াশুনা করতে হয়। মার্কেটের নিয়ম কানুন ভাল ভাবে জেনে তারপরে একাউন্ট খুলতে হয়। আবার একাউন্ট খুলে কাজ করার সময়েও নতুন নতুন পলিসি শিখতে হয়। আপনি যদি ফাইভার হেল্প বাংলাদেশ গ্রুপের মেম্বার হন তাহলে সামান্য ধারণা পাবেন। মার্কেটের ওয়েব সাইট, ভিডিও, ইউটিউব ভিডিও, অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেকেতঃআমি নিজে ৫ বছর সফল ভাবে ফ্রিল্যান্সিং করার পর কয়েক মাস আগে ফাইভারে একাউন্ট খুলেছি। একাউন্ট খোলার আগে এই মার্কেট সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছি। আপনি এক- দুই মাসে মার্কেট সম্পর্কে ভাল ধারণা অর্জন করতে পারবেন।কেউ যদি বলে আমি সাত দিনে ফ্রিল্যান্সিং শিখাই তাহলে বুঝতে হবে ফ্রিল্যাসিং সম্পর্কে উনার ধারণা নেই এবং বুঝতে হবে যে উনি একটা বাটপার।কত দিন শিখবেনঃ

আপনার যে স্কিল ভাল লাগে সেটা শিখেন। ৬ মাস বা ১২ মাস। ইংরেজীর বলা এবং লেখার উপর দক্ষতা বাড়ান। এমন পর্যায়ে শিখতে হবে যে, একটা কাজ নিজে একা করে বায়ারকে খুশি করতে পারেন। কারন বায়ার টাকা খরচ করবে এই জন্য যে, সে নিজে পারে না বা তার সময় কুলায় না সেই কাজ আপনি করবেন।কোথায় শিখবেন?

সব প্রতিষ্ঠান চিটার বাটপার না। বেশ ৫-৭ টা প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো নাম করা। তারা কিন্তু বলে না যে, তারা ফ্রিল্যান্সিং শিখায়।ফ্রিল্যান্সার কত আয় করে?

একটা উদাহরণ দিচ্ছি। কিছুদিন আগের হিসাব। আমার ব্যক্তিগত ধারণা। তবে মোটামুটি সঠিক আপ ওয়ার্কে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার ৬৫,০০০। কাজ করেন ৭,০০০। বাকি ৫৮,০০০ এইসব বাটপারের ছাত্র অথবা অযথা সামান্য কিছু শিখেই একাউন্ট করেছে। পরে আগের জায়গায় ফিরে গেছে।৭,০০০ এর মধ্যে তিন শ্রেণী। মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করেন এমন সিনিয়র ১০০-২০০ হতে পারেন। কম বেশি ৫০০-৭০০ জন যাদের ইনকাম মাসে কম বেশি এক হাজার ডলার । ৭,০০০ এর বাকিরা মাসে এক হাজারের কম এমনকি মাসে ১০০-২০০ ডলার। আরেকটা বিষয় হল যে, একই ফ্রিল্যান্সার ২-৩ টা মার্কেটে কাজ করেন।বাস্তব চিত্র নিজে দেখে নিনঃ

যারা দ্বিতীয় তৃতীয় গ্রেডে ফ্রিল্যান্সিং করছেন এবং মাসে ২০০-১০০০ বা বেশি আয় করেন তাদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করেন। যদি কেউ আপনাকে সময় দেন তাহলে কথা বলেন। ২০-৫০ ডলারের একটা কাজ করতে কি কষ্ট হয় এবং কি ভাবে যোগাযোগ রাখতে হয়,ইংরেজী কতটা জানা লাগে টা জানুন। মার্কেট সম্পর্কে জানুন। ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট নিয়মিত দেখুন।